• শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৫২ অপরাহ্ন

চৌদ্দগ্রামে ঈমামের ওপরে হামলার ঘটনায় ৫০ হাজার টাকা রফাদফা রায় হলেও ০৭ হাজার টাকায় মুচলেখা

/ ১২২ বার পঠিত
আপডেট: রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩

সিরিজ রিপোর্ট-০৪:
গত ২৬/১১/২০২৩ইং তারিখে কুমিল্লা জেলার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার, পশ্চিম লুদিয়ারা গ্রামের ”বায়তুল মামুর জামে মসজিদের” ঈমাম আবুল কালাম হাজারী ওপরে কিশোর গ্যাং এর দলের নেতা, ফুয়াদ চৌধুরীসহ ৪ জনের হামলায় গুরতর আহত অবস্থায় ঈমাম আবুল কালাম হাজারীকে, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে কুমিল্লার স্থানীয় পত্রিকা সিরিজ রিপোর্ট: ০১ ভিডিও বক্তব্য প্রচার করা হয়। সিরিজ রিপোর্ট: ০২, চৌদ্দগ্রামে ঈমামের উপরে হামলাকারী ফুয়াদ”কে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন এরা কারা! সিরিজ রিপোর্ট: ০৩, মসজিদের ঈমামের ওপরে হামলার ঘটনায় বাকিতে ৬২ হাজার টাকা রফাদফা! সংবাদটি প্রচার করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ইউএনও কুমিল্লার ডিসি মহোদয়কে অবগত করা হয়েছিল। কিন্তু গত ৩০/১১/২০২৩ইং তারিখে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ইউএনও কুমিল্লার ডিসি মহোদয় জানান যে, সমাধানের জন্যে এলাকাবাসী, স্থানীয় মাতাব্বর ও ইসলামী সংগঠনের নেতাদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হলে তারা উক্ত বিষয়টি সমাধান করেছেন। কিন্তু ঐদিনেই ঘটনাস্থলে সরজমিনে গিয়ে জানা যায় যে, ৬২ হাজার টাকায় রফাদফা করে সমাধান করেন। ১২ হাজার টাকা মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে বলে তারা শিকার করেন। তবে টাকা ০৮/১২/২০২৩ইং তারিখে দেওয়া হবে বলে মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার মানিকসহ স্বপন চৌধুরী ও সাবেক ইউপি সদস্য জানায়। ঐদিনেই আবার ঘটনাটির প্রতিবেদন ইতি দেওয়ার জন্য অফিস এতে তথ্য জমা দেওয়ার জন্যে আসামী ফুয়াদকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে দুই প্রতিবেদক এর ওপরে ফুয়াদসহ তার বোন সাইমা, বাবা গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ও ফুয়াদের মা দুই সাংবাদিকের ওপর চরাও হয় এবং লাঞ্ছিত করার মতন ঘটনা ঘটায় ও ঈমামকে হত্যার হুমকি ধমকিও প্রধান করেন। উক্ত বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হলে উক্ত অভিযোগ ইটার নিচে পরে আছেন এটা কোন ঝড় কিংবা তুফানেও আর উল্টাবেনা বলে ১০০% আশাবাদী। কিন্তু মিডিয়াতে উক্ত বিষয়টি বেশি আলোচনা ও সমালোচনায় শুরু হলে উক্ত বিষয়টি ধামাচাপা দিতে গত ০৮/১১/২০২৩ ইং তারিখে ঈমামকে রফাদফার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও গত ০৬/১২/২০২৩ইং তারিখেই ঈমাম আবুল কালাম হাজারী ও তার স্ত্রী সালমা’কে সমাধান করার কথা বলে বিচারে রফাদফা কারীগণ ডেকে ঈমাম এর কাছে থেকে সাক্ষর নিয়ে যায় মুচলেখায়! পরে ঈমাম এর স্ত্রী সালমাকে মাত্র ০৭ টাকা দেন, সালমার হাতে মুঠো করে হাতের মধ্যে। মুচলেখার বিষয় ঈমাম আবুল কালাম হাজারী জানান আমাকে একটি কপি দিয়েছেন যা আমাকে পড়ে শুনিয়েছেন আর আমাকে যেই কপি দেওয়া হয়েছে সেটি মাঝে না পড়েই আমাকে শুনিয়ে সাক্ষর নিয়ে গেছেন। একই কথা ঈমাম আবুল কালাম হাজারীর স্ত্রী সালমা তিনিও জানান আমার স্বামীর মাথায় আঘাত করার পর থেকে সে মানসিক ভাবে অনেক অসুস্থ। অনেক কথা বলতে গেলে সে ভূলে যায় এবং রেগে যায় তার চিকিৎসা চালাচ্ছি আমরা অনেক কষ্ট এবং ধার-দেনা করে। আমাদেরকে দেওয়া হয়েছে মাত্র ১২+৭ হাজার টাকা কিন্তু জড়িমানা হয়েছিলো ৬২ হাজার টাকা কিন্তু আমার স্বামীর পিছনে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মত খরচ হয়ে গেছে, আরও লাখ খানেক টাকায় হবে কিনা আল্লাহ ভাল জানেন। আমার বাচ্চাদেরকে নিয়ে চলতে এবং তার চিকৎসা খরচ চালাতে পারছিনা সে মসজিদে ঈমামতি করতেন, বেতনের টাকায় সংসার চলাতে হত, একমাত্র উপার্জনের উৎস ছিল। আমার পরিবারের এখন আমার সংসারের হাল ধরার কেহ নেই, কে চালাবে আমার সংসার? কি ভাবে করব আমার স্বামীর চিকিৎসা? কি ভাবে চালাব আমার ছেলে-মেয়ের পড়ালেখা? প্রশ্ন ওঠে যে, ঈমাম এর ওপরে হামলার ঘটনায় যাদেরকে সমাধানের দায়িত্ব্য দেওয়া হয়েছিল, গত ৩০/১১/২০২৩ ইং তারিখে তাদের একটি ফেইসবুক পেইজে ৬২ হাজার টাকা সমাধান হয়েছে ও ১২ হাজার টাকা উসুল বলে উল্লেখ করে বাহবা দেখিয়েছেন কিন্তু বাকি ৫০ হাজার টাকার কথা কেন মুচলেখায় উল্লেখ করেনি? কেন পরের বার ৭ হাজার টাকায় সমাধানের বিষয়টি ফেইসবুকে লাইভ করেনি? এরা কি মানবিক বিচারক নাকি সৈরাচার? নাকি ক্ষমতার দাপট?
মসজিদের ঈমাম আবুল কালাম হাজারীর কাছ থেকে মুছলেখা নিয়ে ইউএনও অফিসে জমা দিয়েছেন ফুয়াদসহ তার চক্রের নেতারা। কিন্তু ইউএনও মহোদয়কে বিষয়টি অবগত করার পরে উক্ত মুচলেখা জমা নেননি বলে তিনি জানান। দু’পক্ষকে ডেকে সমাধান করবেন বলে জানান প্রতিবেদক’কে।

জানা যায় যে, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার পশ্চিম লুদিয়ারা গ্রামের বায়তুল মামুর জামে মসজিদের ঈমামতি করেন, ঈমাম আবুল কালাম হাজারী ওপরে কিশোর গ্যা এর দলনেতা ফুয়াদ চৌধুরীর হামলার ঘটনায় ৬২ হাজার টাকায় রফাদফা করার করা হলেও ঈমামকে গত ০৬/১২/২০২৩ইং তারিখে ৭ হাজার টাকা দিয়েই মুচলেখায় সাক্ষর নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। যদিও ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ছিল! দুঃখ জনক হলেও সত্য এই যে, কুমিল্লা জেলার ডিসি ও ইউএনও” এর নির্দেশকে বৃদ্ধা আঙ্গুলী দেখিয়েছেন একটি মহল। সেই মহলটি আবার হামলাকারী ফুয়াদ গং এর অধিকাংশই বংশধর ও অনুসারী সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়। হামলা কারী ফুয়াদের বংশধরদের ওপরেই দায়ভার দেওয়া হয়েছে বিচারের নাকি ক্ষমতার দাপট এর কারনে এমনিটি হয়েছে প্রশ্নবৃদ্ধ!

সাম্প্রতিক ঈমাম এর ওপরে একটি হামলার ভিডিও “দৈনিক সমাজ কণ্ঠ” পত্রিকার অনলাইনে প্রকাশিত হওয়ার পর আলোচিত সমালোচিত শুরু হয় বিষয়টি নিয়ে। উক্ত বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে ৩ সদস্যের একটি টিম সরজমিনে যায় এবং গিয়ে জানা যায় যে, বেশ কিছুদিন যাবৎ কিশোর গ্যাং এর দলনেতা ফুয়াদ এলাকাবাসীকে ধর্মীয় বিষয়ে নিজের মুরিদ বানাতে ঈমাম আবুল কালাম হাজারীকে টার্গেট করেন। ঈমামকে ফুয়াদ যে ভাবে বলবেন সে ভাবে যেন ঈমামতি করেন! যদিও ইসলাম ধর্মে চার মাজাবে বিভক্ত কিন্তু বাংলাদেশে হানাফি মাজাহাবের অনুসারী প্রায় ৮০% মানুষ। লুদিয়ারা গ্রাম এর অধিকাংশ হানাফি মাজাহাব এর অনুসারী।
ঐ গ্রামের মানুষ হানাফি মাজাব এর ঈমাম আবুল কালাম হাজারীকে নিয়োগ দেন। কিন্তু বেশি কিছু দিন যাবৎ ফুয়াদ নামাজ এর সময় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাসাআ’লা নিয়ে ঈমাম এর আথে ফেতনা তৈরী করেন। যেমন নামাজ শেষে মুনাজাত কেন করেন, ঈমামের সাথে আরও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। ফুয়াদ নিজের মনগড়া সৃষ্টি করা মাজাহাব কিংবা ধর্মকে বিস্তার লাভ করতে ঈমাম কথা না শুনাতেই ঈমাম এর উপরে অতর্কিত হামলা চালায় ফুয়াদসহ আরও ০৪ জন, এতে ঈমাম এর মাথা ফাটিয়ে দেন ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলা ফুলা যখম করেন! ফুয়াদ যে ঈমাম আবুল কালাম হাজারী ওপরে ক্ষিপ্ত তা ঈমাম নিজেও জানতেন না!

গত ২৬/১১/২০২৩ইং তারিখে ঈমাম আবুল কালাম হাজারী ছুটিতে ছিলেন তার নিজ বাড়ি নাঙ্গলকোট থানার রায়কোট এলাকায় কিন্তু তার একটি দোয়া ও মিলাদ এর দাওয়াত ছিলেন তার চাকুরিরত এলাকা লুদিয়ারা গ্রামের বায়তুল মামুর জামে মসজিদের পাশে। সেই জন্য ইমাম দাওয়াতে এসে দোয়া শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে ফুয়াদের সামনে পরেন, ফুয়াদ আগে থেকে ঈমামকে টার্গেট করছিলেন যা ঈমাম জানতেন না ঈমামকে একা নির্জন জায়গায় পেয়ে প্রথমে ঈমাম এর চোখের চশমাটা টান দিয়ে নিয়ে যায় পরে ঈমামের মাথায় আঘাত করলে ঈমামের মাথা ফেটে যায় এক পর্যায়ে ফুয়াদ নিজের বুকের সাথে চেপে ধরে শ্বাসরুদ্ধকর করার চেষ্টা করলে ঈমাম ফুয়াদকে কামড় দিলে ফুয়াদ ছেড়ে দেয় বলে ফুয়াদ জানান। যদিও ফুয়াদ আইন কলেজের ছাত্র তাই নিজেই নিজেকে আগাত করেন ঈমামকে ফাঁসাতে ও নিজেকে বাঁচাতে। ঈমাম এর মাথায় আঘাতের পর থেকে ঈমাম মানুষিক ভাবে অনেকটাই বিপর্যয় হয়েছেন যা কিনা তার চিকিৎসা কয়েক লক্ষ টাকার খরচ লাগতে পারে।

উক্ত বিষয়ে সংবাদ পেয়ে আমাদের প্রতিনিধীরা ছুটে যায় হাসপাতালে ঈমাম এর বিষয় সংবাদ সংগ্রহ করতে। তখন ঈমামের বক্তব্য শুনে মানুষিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে আছেন কিছুটা অনুমান করতে পেরে তার বক্তব্যর উপরে না থেকে ঘটনাটি পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক তদন্ত করতে আমাদের ৩ সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়। ঈমাম এর মানুষিক অবস্থা ঠিক নেই বলে, ফুয়াদ ছাড়াও আরও কয়েক জনের নাম উল্লেখ্য করেন ঈমাম কিন্তু একজন হামলা কারীর ঠিকানা নিয়ে ভূল তথ্য দেন ঈমাম যার কারনে তদন্ত করতে আমাদের প্রতিবেদকদের একটু বেশি সময় লেগে যায়। কেননা হামলা হয়েছে চৌদ্দগ্রাম থানার লুদিয়ারা গ্রামে কিন্তু নাঙ্গলকোট থানার রায়কোট গ্রামের হামলাকারী কি ভাবে হয়, উক্ত ঘটনার তদন্ত নিয়ে একটু ধোঁয়াশার মধ্যে পরে যায় আমাদের টিম। এক পর্যায়ে ফুয়াদ চৌধুরীসহ সকল আসামীদের সাথে আমাদের প্রতিবেদকেরা কথা বলতে চাইলে তারা সবাই পালিয়ে যায় । উক্ত ঘটনার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ঈমাম আবুল কালাম হাজারী কুমিল্লা ডিসি মহোদয় বরাবর। কুমিল্লার ডিসি ইউএনওকে দায়িত্ব্য দিলে উনি স্থানীয় এলাকার কিছু নেতা ও মসজিদ কমিটিকে দায়িত্ব প্রধান করেন ব্যস্ততার কারনে উনি উক্ত সালিশে উপস্থিত থাকতে পারেনি বলে জানা যায়।

উক্ত বিষয় গত ৩০/১১/২০২৩ইং তারিখে একটি বিচার সালিসি বৈঠক চলছে সংবাদ পেয়ে আমাদের টিম এর দু”জন ছুটে যায় কিন্তু যাওয়ার আগেই সালিসি বৈঠক শেষ হয়ে যায়। সালিসি বৈঠক এর বিষয় জানতে ফুয়াদ চৌধুরী বাড়িতে গেলে ফুয়াদের পরিবারের তোপের মুখে পড়তে হয়ছেন “দৈনিক সমাজ কণ্ঠ” পত্রিকার প্রতিবেদকদের বাড়িতে প্রবেশ করতেই ফুয়াদ এর বোন সাইমা প্রথমে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে বলেন এই ঈমামকে আমরা রাখব না তাকে প্রাণে মেরে ফেলব এই জন্যেইতো আমরা তাকে মসজিদে চাকুরিতে বহাল রেখেছি আগে ঝামেলাটা শেষ করি, মসজিদ থেকে ছাঁটাই করে দিলেতো আর ঝামেলাটা শেষ হত না তাই জরিমানা করেছে এটাও দিবনা দেখব কে কি করতে পারে! তখনি আমাদের প্রতিনিধী মোবাইল ফোন বাহির করলেই মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা ও হামলার চেষ্টা করেন। তখন ফুয়াদ এসে ফোন করে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আসেন তখন ফুয়াদের মা-বাবা গিয়াস উদ্দিন ও বোন সাইমা সহ মোট ৭ জন মিলে পথ আটকে রাখেন যেতে দেওয়া হবেনা, তখন ফুয়াদের মা কেহ একজনকে ফোন করে মুঠো ফোনটি ধরিয়ে দেন আমাদের প্রতিবেদককে, কে পাঠাইছে কেন আসছস? উক্ত ঘটনার কোন রকম সংবাদ প্রকাশ হলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি ধমকি প্রধান করেন ও সংবাদ প্রকাশ না করার অঙ্গীকারবদ্ধ করে যেতে বলেন ফুয়াদ ও তার পরিবার। ফুয়াদের বোন সাইমা চরম মাপের দানব সরূপ আচরণ! ফুয়াদ সহ তার পরিবার এখন গোটা এলাকা জুড়ে আতঙ্ক!

ইউএনও মহোদয় এর সাথে কথা বলে জানা যায় যে, উক্ত বিষয়টি উনি ব্যস্ত থাকার কারনে স্থানীয় এলাকাবাসী নেতা ও মসজিদ কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয় কিন্তু পুরো এলাকা জুড়েই ফুয়াদ চৌধুরী বংশ, আবার ফুয়াদের অতংকে পুরো এলাকাবাসী! ফুয়াদ এর কিশোর গ্যাং দিয়ে পুরো এলাকা নিয়ত্রণে চলে বিচার আর সমাধান কি হবে উক্ত বিষয়ে আর বুঝার বাকি রইলনা সাংবাদিকদের সাথে খারাপ ব্যবহারের কারনে এবং আচরণে। তবে ঈমামের উপরে হামলার ঘটনাটি ৬২ হাজার টাকায় রফাদফার মাধ্যমে সমাধান হয়েছে বলে স্থানীয় নেতারা জানান কিন্তু বাকিতে যখন অর্থের মাধ্যমে সমাধান টাকাই যখন বাকি সমাধান কি আর হলো? স্থানীয় নেতা স্বপ্ন চৌধুরী ও মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার মানিক সাহেব জানান যে মসজিদ কমিটির ফান্ড থেকে ১২ হাজার টাকা ইমামকে চিকিৎসা বাবদ দিয়েছি আমরা। তবে এই টাকা আর দেওয়া লাগবেনা তবে ঈমাম এর চিকিৎসা নিতে যতদিন সময় লাগে নিয়ে আসুক যদিও সে মানুষিক ভাবে ঠিক নেই। তবে উক্ত বিষয়ে কি ভাবে সমাধান হয়েছে বলে জানতে চাইলে তিনি বলেন ৫০ হাজার টাকা ০৮/১২/২০২৩ইং তারিখে পরিশোধ করা হবে তিনি জানান। সম্প্রতি একটি ফেইসবু আইডিতে ৩০/১১/২০২৩ইং তারিখে দেখা যায় ঈমাম এর সাথে সন্ত্রাসী ফুয়াদের সমাধান করা হয়েছে তবে ১২ হাজার টাকা নগদ ও ৫০ হাজার টাকা বাকিতে কিন্তু ১২ হাজার টাকার কথা ঈমামকে জিজ্ঞাসা করলে ঈমাম অস্বীকার করেন বলেন যে, আহতের দিনে মসজিদ কমিটি দিয়েছিলেন ১২ হাজার টাকা বিচারের দিন আমি টাকা পাইনি! ঈমাম আবুল কালাম হাজারী ও তার স্ত্রী জানান যে ৫০ হাজার টাকা ০৮/১২/২০২৩ইং তারিখে দেওয়ার কথা থাকলেও আমাদেরকে গত ০৬/১২/২০২৩ইং তারিখে ডেকে নিয়ে মুচলেখা নিয়ে নিয়েছেন। মুচলেখার এক অংশ বাদ দিয়ে পড়ে শুনিয়ে আমাদেরকে একটি কপি দিয়েছেন কপি দেখে দেখি যে আমাদেরকে মাঝের অংশ বাদ দিয়ে পড়ে শুনিয়েছেন কিন্তু আমরাতো মাত্র ১২+০৭=১৯ হাজার টাকা পাইছি কিন্তু মুচলেখায় উল্লেখ করা হয়েছে যে ধার্যকৃত টাকা বুঝে পেয়েছি। উক্ত বিচার ও সমাধান নিয়ে সচেতন মহলের মাঝে নিন্দার ঝড় বইছে ধর্ম প্রাণ ঈমামদেরকে এমন হামলার ঘটনা ঘটার পরেও ফুয়াদ সহ ৪ জনকে আইনের আওতাধীনে না এনে ছাড় দেওয়া হয়েছে দায়িত্ববান ইউএনও ও ডিসির দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেন তারা!

জানা যায় যে, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার পশ্চিম লুদিয়ারা গ্রামের বায়তুল মামুর জামে মসজিদের প্রায় দীর্ঘ দেড় বছরেরও বেশি সময় যাবৎ ঈমামতি করছেন ঈমাম আবুল কালাম হাজারী কখনও তার চালচলনে ত্রুটি দেখা যায়নি বলে, এলাকাবাসী জানান।

ফুয়াদ চৌধুরী নামক কিশোর গ্যাং এর দলনেতা কুমিল্লা আইন কলেজের ছাত্র লুদিয়ারা এলাকার ত্রাস যাকে তাকে যখন তখন হুমকি ধমকি ও হামলাও করে থাকেন ফুয়াদ ও তার পরিবারের লোকেরা ফুয়াদ আইন কলেজে পড়েন বলেই, যাকে তাকেই মামলার হুমকি ধমক দিয়ে কাবু করেন কিন্তু সে এখনো ছাত্র। এলাকায় ফুয়াদ ও তার পরিবার বংশীয় ক্ষমাতার দাপট খাটান ও ছেলে ফুয়াদ আইন কলেজে পড়েন সামনে উকিল হবে সেই ভয় দেখিয়ে এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ফুয়াদ ও তার পরিবার! গ্রামের সহজ সরল মানুষদেরকে বোকা বানিয়ে কেননা মানুষতো আর জানেনা যে এলএলবি পড়া পরলেই ওকালতির সনদ পাওয়া যায় না।


আরো পড়ুন