• শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
171764904_843966756543169_3638091190458102178_n

বিশ্বে পরিবর্তন আনবে ম্যালেরিয়ার নতুন ভ্যাকসিন, দাবি উদ্ভাবক দলের

/ ১৬ বার পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২
1662633029

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

মশাবাহিত রোগ ম্যালেরিয়া। অনেক জটিল রোগ মোকাবেলায় সাফল্য এলেও ম্যালেরিয়া পুরোপুরি নির্মূল করা এখনও সম্ভব হয়নি। অবশেষে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা ম্যালেরিয়ার একটি ভ্যাকসিন তৈরি করেছেন। এটিকে ‘বিশ্ব পরিবর্তনকারী’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন তারা।

ওই ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে দেখা গেছে, নতুন ভ্যাকসিনটি মারাত্মক রোগটির বিরুদ্ধে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত সুরক্ষা দেয়। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে ভ্যাকসিনটি বাজারে আনা যাবে বলে দাবি উদ্ভাবক দলের।

অক্সফোর্ডের উদ্ভাবক দলের দাবি, নতুন ভ্যাকসিনটি খুব কম খরচে উৎপাদন করা যাবে ও এটি উৎপাদনে চুক্তি করে ফেলেছে তারা। প্রতি বছর ১০০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন উৎপাদন করা হবে।

দাতব্য সংস্থা ম্যালেরিয়া নো মোর বলছেন, ‘এই রোগে আর কোনো শিশুকে মরতে হবে না ভ্যাকসিনের সাম্প্রতিক অগ্রগতি দেখে এমনটিই দেখা যাচ্ছে। ’

এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর মশাবাহিত ম্যালেরিয়ার ভ্যাকসিন উদ্ভাবন হতে যাচ্ছে।

গত বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আফ্রিকায় ব্যবহারের জন্য ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট জিএসকে দ্বারা উদ্ভাবিত ম্যালেরিয়া ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেয়। তবে ওই সময় একদল গবেষক দাবি করেন, জিএসকের ভ্যাকসিনটি ৫০ শতাংশও কার্যকরী নয়। তবে অক্সফোর্ডের আবিষ্কৃত ভ্যাকসিনটি বেশি কার্যকরী বলে দাবি উদ্ভাবক দলের।

ট্রায়ালে বুরকিনা ফাসোর ৪০৯ শিশুর ওপর পরীক্ষা চালায় অক্সফোর্ডের গবেষক দল। এক বছরের মধ্যে তিনটি ডোজ দেওয়ার পর দেখা যায়, ভ্যাকসিনটি ৮০ শতাংশ পর্যন্ত সুরক্ষা দিতে সক্ষম।

অক্সফোর্ডের নতুন ভ্যাকসিন সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়টির জেনার ইন্সটিটিউটের পরিচালক প্রফেসর অ্যাড্রিয়ান হিল বলেন, ‘আমরা মনে করি যে কোনো ম্যালেরিয়া ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে এই ডেটাগুলো এখনও সেরা ডেটা। ’

‘আর-২১ নামের নতুন ভ্যাকসিনটি কয়েক ডলারের মধ্যে তৈরি সম্ভব। এর ফলে আমরা ম্যালেরিয়ার ভয়ঙ্কর বোঝা হ্রাস করতে পারি,’ যোগ করেন প্রফেসর হিল।

আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ভ্যাকসিনটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু করবে উদ্ভাবক দল।

সহস্রাব্দ ধরে মানবতার ওপর আঘাত হানছে ম্যালেরিয়া। মানবজাতির অগ্রগতি হলেও প্রতিবছর মশাবাহিত রোগটিতে চার লাখের বেশি লোক মারা যায়; মারা যাওয়াদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।


আরো পড়ুন