• সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন

কুমিল্লা গোলাবাড়িতে সীমান্তে নতুন তৈরি হয়েছে মাদক সেতু-বন্ধনে জড়িয়ে আছে বিজিবি – (০৩)

/ ১১৪ বার পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৪

জুয়েল খন্দকার-নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা গোলাবাড়ির জিরো পয়েন্ট সীমান্ত মাদক স্পট ও এই সীমান্ত দিয়ে নিয়মিত মাদক সেবী প্রশাসন, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশার শ্রেনীর লোকেরা মাদক সেবন করতে যায়, বিজিবির সাথে জোগসাজোশে ভারত থেকে বাংলাদেশে অবাধে মাদক প্রবেশের বিষয়টি কাহারই অজানা নহে! বেশির ভাগ অসাধু বিজিবি সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কারনে বাংলাদেশে মাদকের লাগাম টানাই যাচ্ছেনা। গোলাবাড়ি জিরো পয়েন্টের বিজিবির চেক পোস্টের সাথে দিয়ে ছিলো খেয়া ঘাট। ইতোমধ্যে উক্ত খেয়া ঘাট’’টি বন্ধ করে তৈরি করা হয়েছে বাঁশের সেতু উক্ত সেতুটি দিয়ে বাংলাদেশে অবাধে প্রবেশ করছে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক ও অস্ত্রের চোরা চালান। সীমান্ত দিয়ে চিনি, জিরা, পেয়াজ’সহ বাংলাদেশে সময় সাময়ীক নিত্য প্রয়োজনীয়-পণ্যের দাম যখন বাড়ে তখনি কিছু ছোটখাটো ব্যবসায়ী সহ খেটে খাওয়া মানুষেরা দুই পয়সা পাওয়ার আশায় কিছু নিত্য প্রয়োজনীয়-পণ্যের নামে সাথে বাংলাদেশে ঢুকছে অবৈধ মোবাইল”সহ ভয়ংকর মাদক-দ্রব্য ও অস্ত্র এইসব বিজিবেকে সমন্বয় করেই ঢুকছে বাংলাদেশে।
প্রায় দেখা যায় বিজিবি জিরা, চিনি, পেঁয়াজ ধরছেন কিন্তু মাদক ও অস্ত্রের চালান ধরতে আমাদের মিডিয়ার কাছে তেমন কোন তথ্য নেই তবে হে নিত্যপ্রয়োজনীয়-পণ্য তৈল, চিনি, জিরা, গরু-ছাগল ইত্যাদি ধরে নিলাম দিতে দেখা যায় তাও ২/১ টা আন্ডার গ্রাউন্ড পত্রিকাকে ডেকে প্রেস রিলিজ দিতে দেখা যায় যেই সব মিডিয়াকে মানুষ চিনেওনা জানেওনা কিন্তু কুমিল্লাসহ সারা দেশে র‍্যাব, ডিবি ও পুলিশ বড় মাদক, অস্ত্রসহ চাঞ্চল্যকর ঘটনায় প্রেস ব্রিফিং করেন তাহলে কি বিজিবি বড় মাদক অস্ত্রের চালান ধরেন না?
সম্প্রতি দেখা যায় যে, গোলাবাড়ি জিরো পয়েন্টের বিজিবির চেক পোস্টের সাথে থাকা খেয়া ঘাট’টিতে এখন সেতু তৈরি করা হয়েছে উক্ত সেতু দিয়ে মানুষ পারাপারের সুবিধা হয়েছে নিঃসন্দেহে যা অস্বীকার করার কোন প্রকার সুযোগ নেই। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সেতুটি মানুষ পারা-পার হতে ১০ টাকা করে গুনতে হয় কিন্তু অবৈধ কিছু নিয়ে পারা-পার হতে হলে ৫০/১০০/৫০০/১০০০ হাজার টাকা গুনতে হয়, এই টাকা গুলোর বিনিময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সাথে ঢুকে পড়ছে মাদক । তবে সেতুটি দিয়ে পার হয়ে এই পাড়ে চলে আসলে অনেকটাই নিরাপদে চালান নিয়ে যেতে সুবিধা হয়। এখন অবৈধ ব্যবসায়ীরাও এই সেতুটিকেই বেশি ব্যবহার করছেন। তবে এইসব পণ্য সব কিছুই বিজিবিদের সাথে জোকসা-জোকসে জোগসাজোগে
বাংলাদেশে প্রবেশ করে। যার ফলে এখন ৫/৭ বছরের শিশুরাও অবৈধ এইসব ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েছেন যা আমাদের ক্যামেরায় ধরা পরেছে। ধরা পরেছে বিজিবি অবৈধ ভাবে আসা চিনি বোঝাই গাড়ির সাথে দাম-ধরে বনিবনা হয়নি বলে চিনির বস্তা গুলি রেখে বাহনটি বিদায় করেদেন। তবে সেতুটি তৈরি করার আগে বিজিবির ক্যাম্পের এরিয়াতে গোমতি নদীর এই পাড় আর ওপাড়ে বেঁধে রাখাছিলো রশি সেই রশিতে একটি ডিঙ্গি নৌকা বাঁধা থাকতো সব সময়ে সেই নৌকাটি কৃষকের বলে বিজিবি দাবী করলেও রাত হলেই সেই ডিঙ্গি নৌকাটি দিয়ে মাদক ঢুকে কুমিল্লা নগরী থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক চলে যায়। সেতুটি হওয়ার পর-থেকে এখন আর ডিঙ্গি নৌকাটি নেই তবে আগে মাদক নদী পারাপার হতো রাতে ডিঙ্গি নৌকায় আর এখন মাদক প্রাচার হয় দিন রাত ২৪ ঘন্টা বিরতিহীন চলমান এইসব অবৈধ চোরা-চালান। উক্ত সেতুটি তৈরি করেছেন গোলাবাড়ির বাপ্পি, পিতা: মনা মিয়া।

আমাদের এই প্রতিবেদক তৎকালীন সময় মানুষ হত্যা করে একটি মানুষকে আর মাদক তিলে তিলে হত্যা করে পুরো পরিবারকে এই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ট্লারেন্স ঘোষণা দেন ও পুলিশকেও বর্ডারে দায়ীত্ব দেওয়ার ঘোষণা যদিও দিয়েছিলেন। এতেই বুঝা যায় আমাদের দেশের সরকার ও মানুষ ভালো করেই জানেন বিজিবি শুধু দু-পয়সার জন্য শুধু একটি মানুষকে নহে গোটা বাঙ্গালী জাতীকে ধ্বংশ করছেন তারা। পূর্বে আমরা দেখেছি এমন সংবাদ প্রকাশের কারনে অসহায় ও হতদরিদ্র ২/১ বস্তা চিনি, মসল্লা, পেঁয়াজ এনে যারা বিক্রি করেন তাদের সব কিছু রেখে নির্যাতন করা হয় এই সংবাদ দেখার পরে বিজিবিরা ঠিক তেমনটা যেন না করেন।


আরো পড়ুন