• মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
171764904_843966756543169_3638091190458102178_n

বিবিসির বিরুদ্ধে সাবেক কর্মীর অভিযোগ

/ ৪৫ বার পঠিত
আপডেট: রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২২
1661661805-630a37e3203027452139638b

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম বিবিসি। বিশ্বের অন্যতম ব্রডকাস্টিং প্রতিষ্ঠান এটি। সারা বিশ্বেই সমাদৃত হয়ে আসছে সংবাদ মাধ্যমটি। তবে এবার বিবিসির বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানটির এক সাবেক কর্মী অভিযোগ দিয়েছেন।

তার অভিযোগ, লেবার পার্টির রাজনীতি করায় ও বরিস সরকারের কাছ থেকে সুবিধা নিতে তাকে বোর্ড মেম্বার করা হয়নি।  

অভিযোগকারী যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টি সরকারের সাবেক সদস্য জেমস পার্নেল। তিনি বলেছেন, ‘বরিস জনসনের মন্ত্রীসভাকে খুশি রাখতে বিবিসিতে আমাকে শীর্ষ পদে যেতে দেয়নি। কারণ তারা বরিসের ক্যাবিনেট থেকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা নিতো। আমি যেহেতু লেবার পার্টি করতাম তাই আমাকে শীর্ষ পদ দিলে বরিস ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনটির ওপর রাগান্বিত হতে পারে। ’

বিবিসির বেশ কয়েকটি উচ্চ পদে কাজ করেছেন পার্নেল। ২০১৬-২০ সাল পর্যন্ত বিবিসি রেডিও এবং এডুকেশন ডিপার্টমেন্টের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।  

শুক্রবার টুইটারে এক পোস্টে পার্নেল বলেন, ‘২০২০ সালে টিম ডেভিড বিবিসির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আমাকে বোর্ড সদস্য হওয়ার জন্য মনোনীত করেন। তবে অন্যান্য পরিচালকরা এতে বাঁধা দেয়। তারা বলেছিল, বোর্ডে লেবার পার্টির কাউকে চান না তারা। ’

‘ওই সময় নিজেদের অস্তিত্ব নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিল বিবিসি। কারণ সে সময়ে বরিস সরকার লাইসেন্স ফি নিয়ে কথা বলেছিল। এরপরেই অতি-সতর্ক অবস্থানে চলে যায় প্রতিষ্ঠানটি। ’

বিবিসিতে যোগদানের আগে পার্নেল সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন সরকারের একজন সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১৩ সালে বিবিসিতে যোগদানের সময় লেবার পার্টি থেকে ইস্তফা দেন তিনি।

বর্তমানে লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অফ দ্যা আটর্সে ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন পার্নেল। তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে প্রাতিষ্ঠানিক বলে সম্বোধন করেছেন বিবিসির সাবেক এই কর্মী।

রাজনৈতিকভাবে বিবিসিতে নিয়োগ দেওয়া বা পদ না দেওয়ার  অভিযোগ নতুন নয়। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির আরেক সাবেক কর্মী এ নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি প্রতিষ্ঠানটি।


আরো পড়ুন