• মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
171764904_843966756543169_3638091190458102178_n

তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের পক্ষে থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন

অনলাইন ডেস্ক / ৫৪ বার পঠিত
আপডেট: সোমবার, ৮ আগস্ট, ২০২২
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের মধ্যে যাদের আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি তাদের একজনের ব্যাপারে আমরা কিছুটা আশাবাদী। বিষয়টা এখনও আইনের মারপ্যাঁচে রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি মুজিববর্ষে আমরা বঙ্গবন্ধুর আরেকজন খুনিকে দেশে এনে বিচারের সম্মুখীন করতে পারবো। টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর অপর যে খুনি কানাডায় রয়েছে সে বিষয়ে সরকার বেশ অগ্রসর হয়েছে। তবে বাকি তিনজন কোথায় আছে বা কি নামে আছে তার সঠিক তথ্য নেই। আমরা সকল মিশনকে পত্র লিখেছি, তাদের সঙ্গে আলাপ করেছি। যাতে আমরা পলাতক খুনিদের শনাক্ত করতে পারি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বঙ্গবন্ধু ও পরিবারের নিহত সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ৭ আগস্ট বাংলাদেশ-চীন নীতি অটল বলে জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন । বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ৪টি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান মোমেন। আলোচনার পরেই বাংলাদেশ থেকে বিদায় নেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। এদিন দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

পড়াশোনার জন্য অনেক ছাত্র-ছাত্রী অনেকে আটকে আছে, তাদেরকে চীন ভিসা দেবে বলেও আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীনে শান্তি ও উন্নয়ন নষ্টে একটি পক্ষ উসকানি দিচ্ছে। বাংলাদেশ চীনের পক্ষে থাকবে। তাইওয়ান বিচ্ছিন্নতাকারী, বাংলাদেশ-চীন নীতি অটল।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে মোমেন জানান, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে সার্বিক সহযোগিতা করবে চীন। তারা বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। সেইসাথে বাংলাদেশ থেকে রফতানি বাড়ানোর প্রস্তাবসহ যেকোনো সংকটে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের সাথে চীনের ৪টি সমঝোতা চুক্তির বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, চীনের বাজারে আগে ৯৭ শতাংশ শুল্কসুবিধা পাওয়া যেতো। যেটা আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে ৯৮ শতাংশ পাওয়া যাবে। সেইসাথে বাংলাদেশে চীনের সাথে চলমান প্রজেক্টগুলো তরান্বিত করা হবে। এসময় চীন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং উভয় পক্ষের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।


আরো পড়ুন