• শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০১:০০ পূর্বাহ্ন

নাজিরপুরে ভুয়া চিকিৎসক ফারুকের আতঙ্কে এলাকাবাসী

/ ৭১ বার পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা জেলা বাতাকাসি ইউনিয়নের ০৭নং ওয়ার্ড এর মোঃ ফারুক হোসাইন নামক ভূয়া চিকিৎসক এর আতঙ্কে পুরো এলাকাবাসী। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে মের্সাস ফাহিম এন্ড সাঈম মেডিকেল হল নামের একটি ফার্মেসী খুলে বসেছেন একটি চা দোকানের ভেতরে, জানা যায় যে, চায়ের দোকানটি মোঃ ফারুক হোসাইন এর বাবা মোস্তফার। সে নিজেই চায়ের দোকানে বসেন দুই বাবা ও ছেলে মিলে এলাকা জুড়ে ছেলেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দা বিভাগের বিশেষ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে।

এলাকাবাসীর সূত্রে আরও জানা যায় যে, মোঃ ফারুক হোসাইন এর কাছ থেকে না বলে বাহিরে ডাক্তার দেখালে নানান ঝামেলা করার চেষ্টা করেন। যদি তার মাধ্যমে কোন হাসপাতালে ভর্তি হোন তাহলে নানান টেস্ট আর চিকিৎসার নানান হয়রানী শিকার হতে হয় নায়য় নানা ভাবে কান কথা রটান বলেও এলাকাবাসীরা জানান। আরও জানান যে তার দোকানের পাশের ঘরের এক ব্যক্তি তার চিকিৎসা নিয়ে ইঞ্জেকশন নিলে সেই ব্যক্তির মেরুদণ্ডের হাড় বাঁকা হয়ে যায় পরবর্তীতে ঐ ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বড় বড় হাসপাতালে ডাক্তারদের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়।

মোঃ ফারুক হোসাইন এর ফার্মেসীতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বেশিরভাগ মেডিসিন যৌন উক্তেজনার ও মোটা হওয়ার মেডিসিন। এইসব মেডিসিন বিক্রি করেন বেশি মুনাফার আশায় । তার নেই কোন ফার্মাসিটিক্যাল ট্রেনিং সনদপত্র, সনদপত্র চাইলে বলেন ০৬ মাসের একটা ট্রেনিং করেছি তবে এটা ফার্মাসিটিক্যাল নহে এটাও নাকি শশুর বাড়িতে আছে কেন তা আমাদের বোধও কাম্য নয়! নেই কোন ট্রেড লাইসেন্স যা কিনা ০২ বছর আগে মেয়াদ উক্তিন্ন হয়ে গেছে। আবার সে মা ও শিশু ডাক্তার হিসেবে সাইনবোর্ড লাগিয়েছেন তৈরি করেছেন ডাক্তারি প্রেসক্রিপশন তাও আবার রোগী দেখার সময় সূচিও রয়েছে। জনসম্মুখে তাকে আমাদের প্রতিবেদকের প্রসার মাপিয়ে দেখা যায় সে প্রেসার টুকু মাপতে পারেন না কিন্তু সাটিফিকেট বিহিন আক্তার বনে গেছেন তিনি। উক্ত বিষয় সংবাদ প্রকাশ না করার জন্যে গোয়েন্দা সংস্থার অফিসার পরিচয়ে মোঃ ফারুক হোসাইন এর মুঠোফোনে 01793053010 উক্ত নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে আমাদের টিমকে ধরিয়ে দিয়ে সাফাই গান, তিনি নাকি গোয়েন্দা সংস্থার বড় অফিসার তিনি নাকি সিলেটে কর্মরত রয়েছেন। সংবাদ প্রকাশ না করার জন্যে আমাদের টিমকে অর্থ দিয়ে চরিত্র হরনের চেষ্টা চালায় উক্ত অর্থ নিতে না চাইলে গোয়েন্দা সংস্থার অফিসার দিয়ে সাফাই গাওয়ান।

উক্ত বিষয় স্থানীয় চেয়ারম্যান এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন যদি ট্রেড লাইসেন্স বিহিন ফার্মেসীর মতন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন আমি তার ব্যবস্থা নেব ও ইউএনও কে আমি বিষয়টি অবগত করব আপনারা আপনাদের কাজ চালিয়ে জান যদি অপরাধ করে থাকেন তবে আপনারা যেই হোক কোন প্রকার ছাড় দেবেন না। পরে ইউএনও কে উক্ত বিষয় জানালে তিনি সমস্ত ডকুমেন্টস নিয়েছেন ও তিনি দ্রুত উক্ত বিষয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন দৈনিক সমাজকন্ঠ টিমকে।


আরো পড়ুন