• শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
Headline
ধর্মপাশায় ২৪নং পিআইসি কতৃক পারিবারিক শ্মশান বিনষ্ট ও ব্যক্তি মালিকানাদিন জমির ক্ষতিতে মানববন্ধন, ভিডিও সুনামগঞ্জে নির্মাণকালেই ১৫ কোটি টাকার সেতুর গার্ডার ভেঙ্গে পড়লো খালে || ভিডিও ধর্মপাশায় ইউপি সদস্য আবুল কাশেম মহত উদ্যোগে রাস্তা মেরামত || ভিডিও ধর্মপাশার বাদশাগঞ্জ বাজারে অগ্নিকাণ্ডে একটি মার্কেট পুড়ে ছাই ৫০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি || ভিডিও গাইবান্ধায় মাদক সেবনের দায়ে ৫ জনকে কারাদণ্ড || ভিডিও জামালপুরে গাছে ঝুলন্ত এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার || ভিডিও পাখিদের আবাসস্থল রক্ষার্তে যশোরের ঝিকরগাছায় গাছে গাছে ভাড় টাঙ্গিয়ে শুভ উদ্বোধন করেছেন একদল সমাজ সেবক জয়পুরহাটে জাতীয় বীমা দিবস পালিত || ভিডিও মোরেলগঞ্জের বহরবুনিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যানের গণসংযোগ ও আলোচনা সভা || ভিডিও সুনামগঞ্জে খুনের ঘটনায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড || ভিডিও

“উপমহাদেশের প্রথম নারী নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী”

Reporter Name / ১০২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯

এম কে নূর আলম বিশেষ প্রতিনিধি কুমিল্লাঃ
দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম মহিলা নবাব ছিলেন নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী। কুমিল্লা জেলার লাকসামের পশ্চিমগাঁয়ে এক মুসলিম সন্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন এ মহীয়সী নারী শিক্ষা,সমাজ-সংষ্কার ও মানব সেবাব্রতে যে অবদান রেখেছেন তা ইতিহাসে বিরল। পেশায় তিনি ছিলেন জমিদার, সমাজকর্মি ও লেখিকা।
অনেকটা নিজের অদম্য ইচ্ছা ও শক্তির কারণে শিক্ষিত হয়ে ওঠেন তিনি বাংলা,আরবি,ফারর্সি ও সংস্কৃত এ চার ভাষায় পারদর্শী ছিলেন।
মহারানী ভিক্টোরিয়া কর্তৃক ১৮৮৯ সালে ‘নওয়াব’ উপাধি লাভ করেন।একজন নারী হয়েও তিনি সে সময় জমিদারীর মত কঠিন দায়িত্ব সফল ভাবে পালন করে।
১৮৭৩ সালে তিনি নারী শিক্ষার প্রসারে কুমিল্লা শহরে প্রতিষ্ঠা করেন নওয়াব ফয়জুন্নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।নারীদের শিক্ষায় সবসময় উৎসাহিত করতেন।তিনি জমিদারীর আয় থেকে ছাত্রীদের হোস্টেলের সকল খরচ বহন করতেন এবং মাসিক বৃওির ব্যবস্হাও করেন। তিনি লাকসামে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন যা বর্তমানে নওয়াব ফয়জুন্নেসা কলেজ নামে অবিহিত।কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন নগদ ১০,০০০ টাকা প্রদান করেন। তিনি শিক্ষার পাশাপাশি নারী স্বাস্হ্য রক্ষা ও সুচিকিৎসারও ব্যবস্হা করেন।

১৮৯৩ সালে কুমিল্লা শহরে প্রতিষ্ঠা করেন ফয়জুন্নেসা জাঃ হাসপাতাল, যা বর্তমানে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে ফিমেল ওয়ার্ড নামে পরিচিত। পদে পদে রয়েছে এ মহিয়সী নারীর পদচিহ্ন। তিনি ১৪টি প্রাইমারী বিদ্যালয়,অনেকগুলো দাতব্য প্রতিষ্ঠান,হাসপাতাল,এতিমখানা,মসজিদ, চলাচলের রাস্তা-ঘাট করে তিনি মানবতাবাদী ও সমাজ-সংষ্কারের অনন্য দৃষ্টান্ত স্হাপন করেন।

তিনি পবিএ মক্কা শরীফে মাদ্রাসা-ই-সওলাতিয়া ও ফোরকানিয়া সহ বিভিন্ন শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানে প্রচুর সহায়তা করতেন।১৮৯৪ সালে পবিত্র হজ্ব পালনকালে তিনি মক্কার হাজ্বিদের জন্য একটি মুসাফিরখানা ও বিশ্রামাগার করে দেন। তিনি জীবনের শেষ প্রান্তে এসে ওয়ারিশদের প্রাপ্য যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে নিজের জমিদারীটি ওয়াকফ্ করে দেন মানবতার চির কল্যাণে।২০০৪ সালে তাঁকে মরণোওর একুশে পদকে ভূষিত করাই যথার্থ নয়। মহীয়সী নারীর প্রতি রইল অকৃএিম শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা, তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category