• রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ম্যাচ নিষিদ্ধ এবং জরিমানা, উভয় শাস্তি মেনে নিলেন ‍সাকিব মাঠেই জ্ঞান হারালেন এরিকসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন কাল ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছে শিক্ষার্থীরা, দ্রুত স্বাস্থ্য বিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিন মাদারীপুরে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ৮টি মটরসাইকেল ও দোকানপাট ভাংচুর,৩ পুলিশ, সাংবাদিকসহ আহত ১৫ জন নওগাঁর নিয়ামতপুরে পুলিশের সোর্স পরিচয়ে চলছে ছিনতাই চাঁদাবাজী ও মাদক ব্যবসা কালকিনি কৃষি বিভাগের উন্নয়ন দেখতে বিভিন্ন জেলার কৃষকদের কৃষিভ্রমণ বঙ্গবন্ধু শিশু আইন প্রণয়ন ও প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেন : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিষেধাজ্ঞা না জরিমানা কি আছে সাকিবের ভাগ্যে? অভিজ্ঞতা ছাড়াই ব্যাংকে চাকরি

পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে বিএমএসএফ’র শোক

Reporter Name / ১৪১ Time View
Update : রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০১৯

ঢাকা ১৪ জুলাই ২০১৯: সাবেক রাস্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে বিএমএসএফ গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। রোববার এক শোক বিবৃতিতে বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি আলহাজ্ব শহীদুল ইসলাম পাইলট ও সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর বলেন, দেশের কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষের আপনজন হিসেবে দীর্ঘ ৯বছর দেশ পরিচালনা করেছেন।

তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দেশবাসির নিকট দোয়া কামনা করা হয়।

উল্লেখ্য, তিনি কিছুদিন ধরে অসুস্থ্য হয়ে সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ একজন দেশপ্রেমিককে হারাল।

১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ভারতের কোচবিহার জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এরশাদ। পরে তাঁর পরিবার রংপুরে চলে আসে। রংপুরেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন তিনি। ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করে ১৯৫২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মকর্তা হিসেবে তিনি যোগ দেন। ১৯৬৯ সালে তিনি লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি পেয়ে ১৯৭১-৭২ সালে সপ্তম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তান থেকে প্রত্যাবর্তন করেন। ১৯৭৩ সালে এরশাদকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল নিয়োগ করা হয়। ১৯৭৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতি লাভ করেন। ওই বছরই আগস্ট মাসে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে তাঁকে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান নিয়োগ করা হয়। ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বর মাসে এরশাদকে সেনাবাহিনীপ্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং ১৯৭৯ সালে তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতি লাভ করেন।

১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের অব্যবহিত পরে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন এরশাদ। ১৯৮৩ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত তিনি প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক (সিএমএলএ) হিসেবে দেশ শাসন করেন। এরপর তিনি রাষ্ট্রপতি আহসানউদ্দিন চৌধুরীকে অপসারণ করে ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। স্বৈরাচারবিরোধী প্রবল গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

১৯৯১ সালে জেনারেল এরশাদ গ্রেপ্তার হন এবং তাঁকে কারাবন্দী করে রাখা হয়। ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে জেলে অন্তরীণ থাকা অবস্থায় এরশাদ রংপুরের পাঁচটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনেও এরশাদ সংসদে পাঁচটি আসনে বিজয়ী হন। ছয় বছর জেলে থাকার পর ১৯৯৭ সালের ৯ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের আমলে তিনি জামিনে মুক্ত হন।

২০০১ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এরশাদের জাতীয় পার্টি ১৪টি আসনে জয়ী হয়। এরপর তিনি ২০০৬ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোটের সঙ্গে মহাজোট গঠন করেন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর দল ২৭টি আসনে বিজয়ী হয়। এরপর দশম ও সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি সাংসদ হন। তিনি চলতি জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দলের নেতা ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category