• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০১:১৫ অপরাহ্ন
Headline
উজিরপুর উপজেলা গুঠিয়া বন্ধরে রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। নাটোরে ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে আ: হালিম মেমোরিয়াল ক্লিনিক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রথম অনলাইনে জিডি কার্যক্রম শুভ উদ্বোধন। বরিশাল সংসদ সদস্য শাহে আলম উজিরপুরের বিভিন্ন স্থানে শারর্দীয় দুর্গাপূজা মন্ডব পর্যবেক্ষণ করেন। নবীগঞ্জ থানায় কর্মরত অবস্থা পদোন্নতি পেয়ে ওসি (তদন্ত) হলেন মোঃ আমিনুল ইসলাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তারাকান্দা উপজেলা শাখার কার্যকরী কমিটির আলোচনা সভা। বরিশালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মসজিদ কমপ্লেক্সের স্থান পরিদর্শন করলেন এমপি ও ডিসি বাংলাদেশ আওয়ামী তরুণ লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন পরিচয় গোপন করে পোলিং এজেন্ট ও জাল ভোট দিতে এসে আটক ৪ নওগাঁর মান্দা উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির প্রার্থী! নওগাঁ জেলায় দ্বিতীয় ধাপের বন্যায় ৭১ কোটি ৫ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা মুল্যের ফসলের ক্ষতি হয়েছে!

কক্সবাজারে ‘চোর’ অপবাদ দিয়ে মা-মেয়েকে পশুর মতোই পেটালেন ইউপি চেয়ারম্যান!

Reporter Name / ১৮২ Time View
Update : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:-  কক্সবাজারের চকরিয়ায় বয়সী মা ও তরুণী মেয়েকে ‘গরু চোর’ আখ্যা দিয়ে একদল দুর্বৃত্ত নির্মমভাবে পিটিয়েছে। পরে কোমরে রশি বেঁধে দুই মহিলাকে প্রকাশ্য সড়কে হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে। সেখানে চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম নিজে তাদের আবার প্রচণ্ড প্রহার করেন। একপর্যায়ে তাদের শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটলে পুলিশ এসে মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে চকরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করে।শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে হারবাং পহরচাঁদা এলাকায় এ ঘটনা ঘটলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার ছবি প্রকাশের পর এটি শনিবার সবখানে জানাজানি হয়।

মা ও মেয়ে চকরিয়া হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের শারীরিক অবস্থা আশংকামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা।এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া থানার হারবাং তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে জানান, শুক্রবার স্থানীয়রা ফাঁড়িতে খবর দিলে আমরা ফোর্স পাঠাই। আমাদের ফোর্স গিয়ে গুরুতর অবস্থায় মা মেয়েকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আসি। আমরা তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।তিনি আরও জানান, স্থানীয় এক ব্যক্তির দায়ের করা গরু চুরির মামলায় তাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে মা-মেয়েসহ চার জনের বাড়ি পটিয়ার শান্তির হাটে। অপরজনের বাড়ি পেকুয়া লালব্রিজ এলাকায়।

হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে তাদের উপর নির্যাতন হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমন অভিযোগ ওদের কেউ করেনি। আমাদের ফোর্স যখন ঘটনাস্থলে যায় তখন সেখানে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে তাদেরকে আমাদের হেফাজতে নিয়ে আসাটাই প্রাধান্য দিয়েছি। আর ভুক্তভোগী কিংবা অন্য কেউ যদি অভিযোগ করে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

তবে ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, একদফা মা-মেয়ের ওপর নির্যাতন চলার পর হারবাং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম, চৌকিদার (গ্রাম পুলিশ) পাঠিয়ে তাদেরকে রশিতে বেঁধে তার কার্যালয়ে এনে আবার নির্মমভাবে নির্যাতন করেন। উপর্যুপরি নির্যাতন শেষে চেয়ারম্যানের লোকেরাই তদন্তকেন্দ্রে ফোন করে পুলিশ এনে তাদের হাতে মা-মেয়েকে মুমূর্ষু অবস্থায় তুলে দেন।

হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category