• বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন




স্কুলছাত্রের চা-দোকান আগুনে পুড়ে ছাই

/ ১৭ বার পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০২২
স্কুলছাত্রের চা-দোকান আগুনে পুড়ে ছাই

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরের মুষুলধারে বৃষ্টির মধ্যে দূর্বৃত্তের আগুনে মো.নাহিদ আলম নামে এক শিক্ষার্থীর চা-দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।সোমবার (৩ অক্টোবর) ভোরে সদর উপজেলার ১৭নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের মিয়ারবেড়ি বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নাহিদের দাবি, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিবেশি নাছির, সেলিম ও আজাদ তার দোকানে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।

এতে এক লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।লেখাপড়ার পাশাপাশি বাড়ীর সামনে এ-দোকান দিয়ে তাদের সংসার চলে। সে যখন বিদ্যালয়ে যায়, তখন বৃদ্ধ বাবা দোকান করেন। নাহিদ লক্ষ্মীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও পশ্চিম চরমনসা গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, কে বা কারা দোকানে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। নেভানোর আগেই মালামালসহ পুরো দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তাদের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তা না হলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশবর্তী দোকানগুলোও পুড়ে যেত। সংযোগ থাকলেও বৃষ্টির কারণে এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। দোকানে তিনটি গ্যাস সিলিন্ডার থাকলে সেগুলো পোড়েনি।

অভিযোগ অস্বীকার করে নাছির ও মো: সেলিম জানায়, জমির বিরোধ নিয়ে আদালত ও থানায় মীমাংসা হবে। দোকান পুড়ে নাহিদের ক্ষতি কেন করবে? আর পাশে দোকানটি তাদের। আগুন ছড়িয়ে তাদের দোকানেও লাগতে পারতো। অন্যদের সঙ্গে নাহিদের দোকানের আগুন নেভাতে তারাও সহযোগীতা করেছেন বলে তারা দাবি করছেন।

১৭নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মিয়ার বেড়ী বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাইফুল হাসান রনি বলেন, ঘটনাটি রহস্যজনক। আইনগত সহায়তা নিতে নাহিদকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ঘটনাটি কেউ আমাদের জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে





আরো পড়ুন