• মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ১০:১১ অপরাহ্ন




করোনাভাইরাস মানুষই সৃষ্টি করেছে, দাবি গবেষকের

/ ২৭ বার পঠিত
আপডেট: সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২২

চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রকৃতিসৃষ্ট নয়, বরং মানুষই এটি তৈরি করেছে বলে দাবি করেছেন এক মার্কিন গবেষক। অ্যান্ড্রু হফ নামের ওই গবেষক উহানের জীবাণু সংক্রান্ত গবেষণাগার উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে (ডব্লিউআইভি) কাজ করেন। সম্প্রতি নিজের প্রকাশিত ‘দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট উহান’ বইয়ে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের (এনআইএইচ) অর্থায়নে ডব্লিউআইভিতে সার্সগ্রুপের বিভিন্ন ভাইরাস নিয়ে গবেষণা চলছিল।

সার্স-কোভ ২ বা করোনাভাইরাস সেসব ভাইরাসেরই একটি। এটি একটি মানবসৃষ্ট ভাইরাস। যা উহানের গবেষণাগার থেকেই অসাবধানতাবশত ছড়িয়ে পড়ে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যান্ড্রু হফ নিউইয়র্কভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইকোহেলথ অ্যালায়েন্সে ভাইস প্রেসিডেন্ট। সংস্থাটি সংক্রামক রোগ-জীবাণু নিয়ে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান ও গবেষণা করে।

অ্যান্ড্রু হফ জানান, ইকোহেলথ অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধি হিসেবে ২০১৪ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে স্বেচ্ছাসেবী গবেষক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। গবেষক হিসেবে তিনি যোগ দেওয়ার আগে থেকেই ডব্লিউআইভিতে বাদুড়বাহী বিভিন্ন সার্স গ্রুপের ভাইরাস নিয়ে গবেষণা চলছিল এবং এই গবেষণায় অর্থয়ান করেছিল এনআইএইচ।


অ্যান্ড্রু হফ তার ‘দ্য ট্রু অ্যাবাউট উহান’ বইয়ে উল্লেখ করেন, বিদেশি গবেষণাগারগুলোতে সাধারণত যথাযথ বায়োসেফটি ও সিকিউরিটি থাকে না এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অনেক সময়েই এসব গবেষণাগার ব্যর্থ হয়। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ডব্লিউআইভির সেরকমই একটি ব্যর্থতার উদাহারণ।

তিনি আরও বলেন, চীন প্রথম থেকেই জানতো, ডব্লিউআইভিতে কী নিয়ে গবেষণা চলছে। ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ায় ডব্লিউআইভির দায় যতটুকু, এনআইএইচের দায় তার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। কোনো বিচার বিবেচনা না করে একটি অত্যাধুনিক জৈব অস্ত্রের প্রযুক্তি আমরা চীনের হাতে তুলে দিয়েছি।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে ৬৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫০৪ জনের মৃত্যু এবং ৬৫ কোটি ১৭ লাখ ৯৭৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬২ কোটি ৭০ লাখ ৪১ হাজার ৩৫৮ জন।





আরো পড়ুন