• শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন

বাঙ্গরায় সবুজ মেম্বারের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

/ ৩৭ বার পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪

শাহানাজ বেগম ত্র‍্যানি, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি:
বাঙ্গরায় সবুজ মেম্বারের উপর হামলা,১৩ জনকে আসামি করে থানায় অভিযোগ।

সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার এক নং শ্রীকাইল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের চন্দনাইল গ্রামের সবুজ মেম্বারের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী। বুধবার দুপুরে চন্দনাইল বাজারে এই বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধনে শত শত নারী পুরুষ অংশগ্রহণ করে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন সজীবের নেতৃত্বে গত সোমবার বাদ মাগরিব চন্দনাইল বাজারে সবুজ মেম্বারের ওপর অতর্কিত হামলা করে তার নিকটে থাকা প্রায় ০৪ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যাও ও সবুজ মেম্বারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করলে গত রাতে সন্ত্রাসীরা নামাজরত অবস্থায় চন্দনাইল বাজার মসজিদে ককটেল ফাটিয়ে হামলা চালিয়ে সবুজ মিয়া মেম্বারের চাচাত ভাই হাসানসহ মসজিদের তিন মুসল্লিকে নামাজরত অবস্থায় লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন। মসজিদের বাইরের লোকজন ভয়ে দিকবিদিক ছোটাছুটি শুরু করে এবং মসজিদের মুসল্লীরা মসজিদের গেইট তালা দিয়ে নামাজ আদায় করেন।

মসজিদে হামলার পর মসজিদের পশ্চিম পাশের বাড়িতে মানিক, মাসুদ ও জজ মিয়ার ঘরে হামলা, ভাংচুর ও মহিলাদের উপর হামলা করে পরনে থাকা গয়না ছিনিয়ে নেওয়া সহ সিলতা-হানির অভিযোগ উঠেছে। রাতের ঘটনায় সামনে পুলিশ থাকলেও তারা ককটেলের বিস্ফোরণের ভয়ে সামনে এগোতে পারেনি পরে বাঙ্গরা বাজার থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন, বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করেছে, গঠনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কাউছার মিয়া, সাদির মিয়া, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ সফিকুল ইসলাম, মসজিদের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান,বাজার মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা শামিম আহমেদ, মসজিদের ক্যাশিয়ার এমদাদুল হক, হাসান, শ্যাম্ভু পদ দেব, সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলামের মা তাহেরা বেগম, সবুজ মেম্বারের মা নাছিমা বেগমসহ আরো অনেকে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ না নিলে যে কোন মুহূর্তে আবারো হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটতে পারে বলে বক্তারা আশংকা প্রকাশ করেন।


আরো পড়ুন