• মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১২:১০ পূর্বাহ্ন
171764904_843966756543169_3638091190458102178_n

লক্ষ্মীপুরে ইউনিয়ন পরিষদ উপনির্বাচনে ভোটার শুন্য ভোট কেন্দ্র, বহিরাগতদের উপস্থিতি 

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি / ৩২ বার পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০২২
IMG_20220727_125722

ভোটারবিহীন উপ-নির্বাচন চলছে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার ১৩ নং দিঘলি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে। নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ ইসমাইল হোসেন শপথের পূর্বে হার্টএ্যাটাক করে মারা যাওয়ায় শুধুমাত্র চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন পুনরায় চলছে। এতে মোঃ সালাউদ্দিন চৌধুরী জাবেদ (প্রতীক নৌকা), মো আলতাফ হোসেন (প্রতীক ঘোড়া), নিয়ে উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সকাল ৯ টার দিকে দিঘলি উচ্চ বিদ্যালয় গিয়ে কয়েকজন নারী ভোটারের দেখা গেলেও পুরুষ ভোটার চোখে পড়েনি। সাড়ে নটার দিকে দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গেলে সেখানেও কিছু সংখ্যক নারী ভোটারের দেখা মেলে। তবে দুর্গাপুর কেন্দ্রে নারী ভোটারদের হাতে নৌকা প্রার্থীর এক কর্মী ১০০ টাকার কয়েকটি নোট গুঁজে দিতে দেখা যায়।
দশটার দিকে খাগুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গেলে দেখা যায় র‍্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ান (র‍্যাব) একজনকে আটক করে। সাড়ে দশটার দিকে পশ্চিম খাগুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২-১৩ জন নারী ভোটার লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ভেতরে ভোট গ্রহণ স্থগিত থাকতে দেখা গেছে। সানকি ভাঙা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজাপুর মুসলিম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ টি কেন্দ্র, পূর্ব জামিরতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়েনি। আনসার, পুলিশ, র‍্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ও সাংবাদিক ছাড়া ভোটারদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে।
১৩ নং দিঘলি ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে কোনো কেন্দ্রেই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলতাফ হোসেনের এজেন্ট দেখা যায়নি। অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি দেখিয়ে নৌকা প্রতীকের সালাউদ্দিন চৌধুরী জাবেদ এর কর্মীরা গোড়া প্রতিকের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়। বহিরাগতদের দিয়ে কেন্দ্র দখল করে রাখা এবং ভয় ভিতি হুমকি ধমকি দিয়ে ভিন্ন মতাবলম্বীদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা প্রধান করার অভিযোগ রয়েছে।
ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মোঃ আলতাফ হোসেন অভিযোগ করে বলেন- আমি ৬নং দুর্গাপুর ও ৮ নং খাগুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে গেলে নৌকা প্রার্থী মোঃ সালাউদ্দিন চৌধুরী জাবেদ, প্রার্থীর ভাই জসিম উদ্দিন, মিঠু, মুন্না, বাবলু ও সবুজ মিলে মারধোর করে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানালেন আলতাফ।
এ বিষয়ে মোঃ সালাউদ্দিন চৌধুরী জাবেদ কোনো মন্তব্য  না করলেও তার সঙ্গীয় অনন্য ইমন নামের একজন সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে হুমকি স্বরুপ অশ্লীল ভাষা উচ্চারণ করে বলেন-‘বাল ফালাই দিয়েন।


আরো পড়ুন