• রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
Headline
নওগাঁ জেলায় ১৩শ শতকের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন চতুর্মুখী শিবলিঙ্গ উদ্ধার  করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধকল্পে লকডাউনে ১১ দফা বাস্তবায়নে সচেতনতামূলক অভিযান। লকডাউন জয়পুরহাটে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে মাঠে নেমেছে পুলিশ নওগাঁয় নিয়ামতপুরে এক যুবককে  হত্যা  আটক-১ মাদারীপুরে পিকআপ-মটরসাইকেল সংঘর্ষে  একজন নিহত, আহত ২ তালতলীতে লকডাউন না মেনে দোকান খোলায়  গুনতে হলো জরিমানা ! বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন সুনামগঞ্জে  লকডাউনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৮ জনকে আর্থিক জরিমানা ! রতন সরকারকে অবাঞ্ছিতের এখতিয়ার রংপুর প্রেসক্লাবের নেই বন্ধুর শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ডান্সার গ্রেপ্তার

এই নরপশুকে খুঁজে বের করতে পুলিশকে সাহায্য করুন

Reporter Name / ৮৪ Time View
Update : সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৯

নিউজ ডেস্ক :
বাড্ডায় ছেলে ধরা গুজবে গণপিটুনিতে তাছলিমা বেগম রেনু হত্যার ঘটনায় আরো একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার নাম বাচ্চু (২৫)। এ নিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হলো। তবে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন গণপিটুনিতে নেতৃত্বদানকারী যুবক।
সোমবার সকালে গ্রেফতার বাচ্চুসহ চারজনকে রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রবিবার রাতে গ্রেফতার করা হয় বাপ্পী, শাহীন ও জাফরকে।
বাড্ডা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, এই চারজনের বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। তবে গণপিটুনির ঘটনার নেতৃত্বদানকারী হৃদয় নামে যুবককে এখনো আটক করা যায়নি।
ওসি জানান, হৃদয় উত্তর বাড্ডায় তার বাবা হানিফ আলীর সবজির দোকানে কাজ করেন। পড়াশুনাও করেননি তিনি। এলাকায় আগে থেকে বখে যাওয়া যুবক হিসাবে পরিচিত হৃদয়।
গণপিটুনির ভিডিওতে দেখা যায়, বাড্ডার অল্প কয়েকজন যুবকই তাছলিমাকে মা’রছে। বাকিরা দেখছে। আবার কেউ কেউ মোবাইলে ভিডিও করছে। লাঠিপেটার পর উপর্যুপরি লাথি দেওয়া হয়। তাসলিমা নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকলেও তাকে কাঠের দণ্ড দিয়ে পেটাতে থাকে ছবির যুবকটি। তার হা-পা, বুকের উপর পেটানো হয়। হাতে খোঁচানো হয়।
গত শনিবার সকালে রাজধানীর বাড্ডায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের বোনের ছেলে নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত ৪ থেকে ৫শ জনকে আসামি করা হয়।
নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, লেখাপড়া শেষ করে তাছলিমা বেগম রেনু চাকরি করেছিলেন আড়ং, ব্র্যাকের মতো প্রতিষ্ঠানে, পড়িয়েছিলেন স্কুলেও। বিবাহ বিচ্ছেদের পর ঘরেই কাটাচ্ছিলেন সময়। ঘটনার দিন স্কুলে সন্তানদের ভর্তির খোঁজ নিতে গিয়েছিলেন তাসলিমা বেগম রানু। সেখানে তাকে ছেলে ধরা গুজবে গণপিটুনি দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category