• বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন
Headline
রসিকের ভ্রাম্যমান ম্যাজিষ্ট্রেট অবরুদ্ধ ও লাঞ্ছিতের ঘটনায় জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়কসহ কয়েক জনকে অভিযুক্ত করে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ! স্বরুপকাঠিতে পৌর নির্বাচন  স্বতন্ত্র প্রার্থী শিশির কর্মকার জয়যুক্ত হবেন  পৌরবাসীর স্লোগান ২’শ কোটি টাকা বিক্রির টার্গেট লক্ষ্মীপুরে শীতের শাক সবজির বাম্পার ফলন ! নওগাঁর ভাইয়ের অবহেলার শিকার  ছেলেটির দায়ীত্ব  নিলেন  ইউপি চেয়ারম্যান ! সংবাদকর্মী আবদুল হাকিমের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ! পাবনা বিএমএসএফের সাংগঠনিক সম্পাদকের পিতৃবিয়োগে শোক প্রকাশ ! দেশের বিভিন্ন জায়গায় সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ইন্দুরকানীতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত এবার করোনায় আক্রান্ত নাচো ফের্নান্দেস ! বাইডেন প্রশাসনে আরেক বাংলাদেশি আমেরিকান ! গরুর ভুঁড়ি পরিষ্কার করবেন যেভাবে !

হ্নীলার ইউপির অন্তর্ভুক্ত রংগীখালীর লামার পাড়ার ইয়াবা ডন জসিম উদ্দিন”র অত্যাচারে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ

Reporter Name / ৪১৩ Time View
Update : বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯

মোঃ ইয়াছিন আরফাত হ্নীলা, টেকনাফ:- হ্নীলার ইউপির অন্তর্ভুক্ত রংগীখালীর ৭নং ওয়াটের মোঃ হাশিম(৫৫) এর পুত্র, জসিম উদ্দিন(৩২) এখনো অধরা। হ্নীলা, লেদা, রংগীখালীর, এবং উত্তর আলীখালীর অনেকে আত্নসমর্পণ করলেও ইয়াবা ডন জসিম উদ্দিন, এখনো প্রশাসনের চোখে ফাকী দিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সুত্রে জানা যায় সে গোপনে তার বিশাল ইয়াবা বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। তার রয়েছে কক্সবাজারে বিশাল ভিলাশ বহুল রাজ প্রাসাদ ফ্ল্যাট বাড়ি। রয়েছে নামে বেনামে জায়গা জমি, ঘর-বাড়ি, এবং এলাকায় ৪টি অটো টমটমসহ বিভিন্ন নামে-বেনামের গাড়িও অর্থ সম্পদ। প্রশাসনের নাকের ডগায় থাকলেও সে এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়। স্থানীয়দের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, তার রয়েছে রোহিঙ্গা সিন্ডিকেট, যাদের মাধ্যমে সে তার ইয়াবা বানিজ্য আদান-প্রদান করে থাকে। আরো জানা যায় তার রয়েছে বিশাল অস্ত্রবল যার ভয়ে এলাকায় তার উপর কেউ চোখ তুলে কথা বলার সাহস পায়না। টেকনাফ সীমান্তে অপরাধ জগতে পা বাড়িয়ে লাখপতি হয়েছেন এর সঠিক সংখ্যা এখনো অজানা।

রাতারাতি কোটিপতি হয়ে জসিম উদ্দিনের মত অনেকেই এখন নিজ হাতে ইচ্ছামত এলাকা শাসন করছে জসিম উদ্দিনের মত প্রভাবশালীরা। যেনো তারা এলাকা নামের ছোট্ট একটি দেশের শাসনকর্তা। নিজস্ব বাহিনী তৈরী করে এসব ইয়াবা চোরাকারবারীরা এলাকায় রাম রাজত্ব কায়েম করে বেড়াচ্ছেন। তাদের লাখপতি হওয়ার পেছনে রয়েছে ইয়াবার কালো থাবা।
হ্নীলার বিভিন্ন এলাকায় লাখপতির অভাব নেই তা যেমন চির সত্য। তেমনি রংগীখালীর হাশিমের(৫৫) ছেলে, জসিম উদ্দিন (৩২), সহ তার আরো অন্যান্য সহযোগী ইয়াবা কারবারি রয়েছেন। একজন সামান্য অটোরিকশা চালক থেকে মাত্র কিছুদিনের ব্যবধানে লাখপতি বনে গেছেন বলে জানা যায় স্থানীয়দের কাছে। এই পরিবারের কারণে আশে পাশের এলাকার মানুষ রীতিমত অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন অভিযোগ কারী মোদির দোকানদার মোঃ সরিফ উদ্দিন(৩৮)সহ ভুক্তভোগী স্থানীয়রা। মোঃ সরিফ উদ্দিন(৩৮) প্রতিবেদককে বলেন- তার ভাই হেলাল উদ্দিন(২৮) (প্রকাশ দুইসস্যা) বিগত কিছুদিন আগে জসিম উদ্দিনের দশ হাজার পিচ ইয়াবা নিয়ে কক্সবাজার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। পরে ২ বছর পর জামিনে বের হলেও এখন থেমে নেই ইয়াবা বানিজ্যে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, হেলাল উদ্দিনের রয়েছে একা দিক অন্যান্য মামলার সাথে ইয়াবা মামলাও। হ্নীলাতে তথা অন্যান্য এলাকায় ইয়াবা চোরাকারবারীদের ধরতে অভিযান চালালেও বিশেষ এলাকায় অভিযান চালিয়ে কোন না কোন পরিবারের ইয়াবা চোরাকারবারীদের আটক করলেও একাদিক ইয়াবা মামলার আসামি হেলাল উদ্দিন(২৮) ও তার ভাই জসিম উদ্দিন(৩২)এখনো দালালের ছত্রছায়ার অধরা রয়েছে। সে দেশের বিভিন্ন থানায় ইয়াবাসহ একাধিকবার আটক হলেও জামিনে বের হয়ে ইয়াবা কারবার বীরদর্পে চালিয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি মাদকবিরোধী অভিযানে কয়েকজন বন্দুক যুদ্ধে নিহত হলেও বাকীরা গা ঢাকা দিয়েছে এমন তথ্য রয়েছে অহরহর। যদিও এখনো অধরা হ্নীলার ইউপির অন্তর্ভুক্ত রংগীখালীর প্রভাবশালী জসিম উদ্দিন(৩৮)ও তার ভাই হেলাল উদ্দিন (২৮) (প্রকাশ দুইসস্যা)সহ অন্যান্য তার সহযোগীরা। যারা বিভিন্ন ব্যবসার আড়ালে মূলত ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত।

এসব অপরাধীরা অতি কৌশলী হওয়ার ফলে থানা পুলিশ এখনো নাগাল পায়নি জসিম উদ্দিন(৩২)এর মত বড় রাখাল বোয়ালের। শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের আস্তানায় পুলিশের অভিযান সীমিত হলেও অনেক ক্ষেত্রে নজরে রেখেছে বলেও তথ্য দেন পুলিশ। প্রশাসনের তালিকায় চুনোপুঁটি মাদক সেবীরা। বাকি জসিম উদ্দিনের মতো রাখাল বোয়াল এখনো অধরা বলে স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন ও তার ভাই হেলাল বলেন আমরা আগে ইয়াবা ব্যবসা করেছি এমন প্রামাণ আমার ভাই হেলালের টা থাকলেও এখন আমাদের কোন প্রকার প্রমান নেই। ফলে এসব আমাদের জন্য মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে।

গোপন সুত্রে জানাযায়, জসিম উদ্দিন(৩৮) দেশের চলমান ইয়াবা ব্যবসায়ীর বন্দুক যুদ্ধে নিহত হতে দেখে নিজেকে প্রাণে বাছার জন্য বিদেশে পালিয়ে যাবার জন্য গোপনে বিভিন্ন মাধ্যমে পাসপোর্ট তথা অন্যান্য কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, হ্নীলা ইউপির অন্তর্ভুক্ত লেদার ৮নং নাম্বার ওয়াটের বাসিন্দা জলাল আহম্মদ এর পুত্র তৌহিদুল ইসলাম(রাজু)(২৯) রংগীখালীর ইয়াবা ডন জসিম উদ্দিনের আপন চতুর্থ বোন সাদিয়া ইয়াছমিন পপি(২০)এর স্বামী।তৌহিদুল ইসলাম রাজু(২৯) গত কিছুদিন আগে টেকনাফ মডেল থানার পলিশের একটি অভিযানে ৪শ ইয়াবাসহ দু’টি অগ্নিঅস্ত্র নিয়ে ধরা পড়ে। সে বর্তমানে কক্সবাজার জেল হাজতে থাকায় তার অবর্তামানে তার ইয়াবা বানিজ্য তথা অন্যান্য কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে তার স্ত্রী সাদিয়া ইয়াছমিন পপি’সহ জসিম উদ্দিন(৩৮) ও হেলাল উদ্দিন(২৮) (প্রকাশ-দুইসস্যা) পপির দুই ভাই। জানাযায় সাদিয়া ইয়াছমিন পপি(২০) ইয়াবার সাথে জড়িত হলেও সে নিজেকে আড়াল করার জন্য বিভিন্ন প্রশাসন তথা অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের নাম্বার সংগ্রহ করে।

ফলে তাদের কাছে ভালো সাজার জন্য জন্য বা একজন ইয়াবা ডনের স্ত্রী হিসেবে নিজেকে বাছিয়ে নেওয়ার জন্য ভুল তথ্যদিয়ে দিয়ে প্রশাসনকে বিভ্রান্তিতে পেলে। এবং এলাকার সাধারণ মানুষদের কে নাকি বলে বেড়ায় আমার কাছে প্রশাসনের তথা বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টর নাম্বার আছে। তাই কেউ আমার বিরুদ্ধে কথা বলতে এসোনা টাকা দিয়ে সব কিছু হয় বলেও নাকি বলে বেড়াই সে। এবিষয়ে
জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ প্রতিবাদী ওসি প্রদীপ কুমার দাস বলেন, তাদের সম্পর্কে জানা নেই, খোঁজ খবর নিচ্ছি, কোন ইয়াবা ব্যবসায়ীর ঠিকানা টেকনাফে হতে পারেনা সে যতবড় প্রভাবশালী হোকনা কেনো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category