• সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলার রায় ঘোষণা

/ ১০৭ বার পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

মোঃ সফিউল আজম রুবেল, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম নগরীর এক ব্যবসায়ীর টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণা সহ আসামীগণ কর্তৃক উক্ত ব্যবসায়ীকে হয়রানীর অভিযোগ ও ডেভেলপার কোম্পানির নামে ফ্ল্যাট বিক্রয় ও চেক প্রতারণার দায়ে আসামীদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজার রায় দিয়েছে আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন- রিয়েল্টি প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং এস.এস.লিভিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াজ্জেম হোসেন রোমান(৪৮) ও কোম্পানির চেয়ারম্যান জান্নাতুল ফেরদৌসি সারজিনা(৩৮)। অদ্য ২৭/০২/২০২৪ তারিখে উক্ত আসামীদ্বয় স্বামী- স্ত্রী প্রত্যেককে বিভিন্ন মেয়াদে ১(এক) বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত ও ১২,৫০,০০০(সাড়ে বার লাখ) টাকা জরিমানা করেছে আদালত।

গত ২৪/১০/২০২১ তারিখে ভুক্তভোগী এয়ার মোহাম্মদ(৪৫) নিজে বাদী হয়ে চট্টগ্রামের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উক্ত মামলা দায়ের করেন।

মঙ্গলবার চট্টগ্রামের ২য় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদলতের বিচারক জনাব মোহাম্মদ হাসান এর বিচারিক আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। যার মামলা নং এস.টি ১৯৯৪/২২।

এ রায়ে আসামীদ্বয় স্বামী- স্ত্রী যথাক্রমে রিয়েল্টি প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং এস.এস.লিভিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াজ্জেম হোসেন রোমান ও কোম্পানির চেয়ারম্যান জান্নাতুল ফেরদৌসি সারজিনাকে বিভিন্ন ধারায় ১২.৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফারুক মজুমদার এ তথ্য জানান।

এদিন আসামীদ্বয় স্বামী-স্ত্রী বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছে। তাদের কেউই আদালতে উপস্থিত হয়নি। এর ফলে আসামীদের বিরুদ্ধে সাজা, অর্থদণ্ড ও মামলার ওয়ারেন্ট জারি করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামীগণের ডেভেলপিং ব্যবসা রয়েছে। তাদের তপশীলোক্ত প্রজেক্ট এর কাজ চলমান রয়েছে জানালে এবং বাদীর বরাবরে ফ্ল্যাট বিক্রির প্রস্তাব করিলে বাদী আসামিদের প্রস্তাবে সরল বিশ্বাস করে তপশীলোক্ত ফ্ল্যাট ক্রয় করার জন্য সম্মত হয় ০৪/১১/২০১৯ ইং তারিখের সম্পাদিত এবং ০৫/১১/২০১৯ ইং তারিখের স্বাক্ষরিত ‘ডিড অব এগ্রিমেন্ট’ মূলে বাদী রিয়েলটি প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং ১ নং আসামীর সাথে লিখিত চুক্তিতে আবদ্ধ হন। নগরীর পাঁচলাইশ মির্জার পুল শুলকবহর প্রজেক্টে রিয়েলটি এম সিরাজ ভ্যালি ডিড অব এগ্রিমেন্ট এর অনুবলে বাদী বিবাদীদের ২০১৯ সালে বিভিন্ন মেয়াদে সর্বমোট ২১.৫০ লাখ টাকা প্রদান করেন।

কিন্তু দূর্ভাগ্যের বিষয় আসামীদ্বয় বাদীর নিকট থেকে টাকা গ্রহণের পর বাদীর সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে প্রতারণা আশ্রয় নিয়ে ফ্ল্যাটের কাজ বন্ধ রাখেন। এর ফলে বাদীর সন্দেহ হওয়ায় আসামীদ্বয়ের কাছে বেশ কয়েকবার লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।

পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এয়ার মোহাম্মদ ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর তারিখে বাদী হয়ে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

বাদীর বিভিন্ন দালিলিক প্রমাণ পর্যালোচনা পূর্বক চট্টগ্রামের ২য় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদলতের বিচারক অদ্য ২৭/০২/২৪ ইং তারিখে বিবাদীদ্বয়য়ের বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষণা করেন।


আরো পড়ুন