• বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন

রাতারাতি কোটিপতি-ডিবির সোর্স জুয়েল শীর্ষ মাদক কারবারি, বিলাশ বহুল বাড়ীতে-পুলিশ অফিসার ফ্রি থাকে!

/ ৫৯ বার পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

অনেকেই বলছেন-কুলি থেকে কোটিপতি,ভূয়া পুলিশ শীর্ষ মাদক কারবারি! সরজমিন অনুসন্ধানী প্রকাশঃ নিজের হোন্ডায় পুলিশ লেখা,১৩টি দামী গাড়ী, হাইএক্স ৯টা, প্রাইভেট কার ৪টা, পুলিশ লেখা থাকে আর সড়কে ডাকাতি করে।

শুধু তাই নয়, পুলিশের ধরা মাল বিক্রি করে বহু জমিজমা বাড়ি,গাড়ীর মালিক তালিকাভুক্ত~ বলছি বহুল আলোচিত মাদক সম্রাট বল্লা জুয়েলের কথা।

কুমিল্লা আদর্শ সদরের ৫নংপাঁচথুবী ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামের মফিজ মিয়ার তৃতীয় পুত্র জুয়েল জনমনে আতঙ্ক।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘ দিন যাবত মাদকের পাইকারি কারবারি জুয়েল নিজেকে ডিবি পরিচয় দিয়ে নিরপরাধ মানুষ দের হয়রানি করে টাকা আদায় করে। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সহ বহু নিরপরাধ মানুষ জুয়েল কর্তৃক হয়রানির শিকার হয়েছেন।বর্তমানে জেলহাজতে আরও বহু নিরপরাধ মানুষ।এদের মধ্যে সংকুচাইল মোরগি ব্যবসায়ী হেলাল, শশীদল বাজারের দোকানদার দাদা রিপন,শাহআলম মেম্বার সহ বহু ব্যক্তি- বল্লা জুয়েলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ, অসংখ্য নিরীহ মানুষ গৃহহারা গায়েবী মামলা হয়রানি আতঙ্কে।

বামইল শরীফপুর বিলাসবহুল মাদক বাড়ী রয়েছে প্রচুর জায়গাজমি। সেনানিবাস এলাকায় বিশাল বাড়ী, ধর্মসাগরের পশ্চিম পাড় সাজ্জাত চেয়ারম্যান গলি সংলগ্ন ফ্লাট, ঢাকা চট্টগ্রাম মহা সড়কের পাশে (কুমিল্লা সদর দক্ষিণের)জোর কানন হোটেল সংলগ্ন বাংলালিংক টাওয়ারের ডান দিকে~ গরুর খামারের অন্তরালে জুয়েলের ফেনসিডিল তৈরীর কারখানা। আছে ভারতের সোনামুড়া বিলাসবহুল বাড়ী।

উল্লেখ্য,কুমিল্লার সাবেক এসপির নেতৃত্বে আলোচিত অভিযান চালিয়ে অন্যএক ফেনসিডিল তৈরীর কারখানা থেকে তৈরির সামগ্রী সহ বিপুল পরিমান মাদকফেনসিডিল উদ্ধার এবং একসোর্সকে গ্রেফতার করে।

সূত্রমতে,গাড়ী গুলোতে মূলত পুলিশ বহনে নিয়োজিত ছোটরা সাইফুলের গ্যারেজ সংলগ্ন আস্তানা রয়েছে বৈধ পুলিশের সাথে জুয়েলের সখ্যতা~আর এ সুযোগে আকাম কুকাম Dবাদ নাই।

রাজধানী ঢাকা নারায়ণগঞ্জ থানায় মাদক মামলা রয়েছে, দাউদকান্দি মডেল থানায় জুয়েলের গাড়ীসহ ৩শ কেজি গাঁজা আটক।কক্সবাজার মডেল থানায় জুয়েল নোহা বিপুলপরিমাণ ফেনসিডিল সহ আটক।মাওয়া ফেরীতে বিপুল পরিমাণ গাজা সহ জুয়েল গাড়ী আটক।
চকরিয়া থানা ময়মনসিংহ ২টা মামলা,
উত্তরবঙ্গের পাইকারি মাদক কারবারি কুখ্যাত জুয়েল বহালতবিয়তে~প্রথম গাড়ী সুপারজেল,ঢাকা মেট্রো -গ ২৩-৪৪৬৪ (চকরিয়া থানার চিলেগা ফাঁড়ীর asi নাছির পাটোয়ারী মোবাঃ ০১৮৪৩ ৪৬৮৪৭৬ এক লক্ষ ইয়াবা সহ জুয়েলের গাড়ী চালানদেয়)টাকার বিনিময় ছাড়া পেয়ে জীবনের প্রথম গাড়ী চকরিয়া থানার চিলেগা ফাঁড়ী আটক আছে।ফেনী কোর্টে মাদক মামলায় নিয়োমিত হাজিরা দেয় জুয়েল।কাচপুর হাইওয়ে থানা২পিকাপ গাজা সহজুয়েলের মাল ধরা খায়।কুমিল্লা ডিবি জুয়েলের সহযোগী নুরুকে মাদক সহ চালান দেন। প্রাইভেট কার ঢাকা মেট্রো AxIo=20-4619, PIHER-ঢাকা মেট্রো -গ কালো ৩১-২৫৪৮, জুয়েলের আরো গাড়ী আছে সড়কে বৈধ অবৈধ মাল ছিনতাই করে।ভারতীয় মাল অন্যত্র বিক্রি করে,গাড়ীটি পরবর্তীতে ‘পুলিশ’লেখা লাগিয়ে চালায়।

সর্বশেষ র‍্যাব-১১ সম্প্রতি জুয়েল এর একটি মাদক চালান আটকের পর জুয়েলকে আসামী করেন।

এসব বিষয়ে কুমিল্লার কলমপ্রকাশ কে জুয়েল জানান,ডিবি পুলিশের গাড়ী চালক সে কোন অপরাধে জড়িত নয়। বড় সাংবাদিক বন্ধু তার বিদেশ বড় ভাই,হাজিরা দেই নিয়োমিত বর্তমানে কোন ওয়ারেন্ট নাই। র‍্যাব এর মামলার বিষয়ে এসপি স্যার দেখছেন।

ইতিমধ্যে বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রকাশিত ভাইরাল নিউজ হুবহু প্রকাশঃ নাম তার মো. জুয়েল। কুমিল্লার সীমান্ত এলাকায় বাড়ি হলেও এই যুবক বসবাস করেন শহরে। কুমিল্লা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি টিমে ভাড়ায়চালিত মাইক্রোবাসের দৈনন্দিন বেতনে চালকের দায়িত্ব পালন করেন। ডিবি পুলিশ টিমের গাড়ি চালক জুয়েল ইতিমধ্যে পেয়েছেন ‘ডিবি জুয়েল’ নামে। মূলত সীমান্তের মাদক ব্যবসায়ি ও চোরাকারবারিরা তাকে ‘ডিবি জুয়েল’ নামে চেনেন। সামান্য বেতনে গাড়ি চালক থেকে পাঁচ বছরের ব্যবধানে বিলাসবহুল বাড়ি. গাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পেছনে মাদক বাণিজ্যের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জুয়েলের বিরুদ্ধে চারটি মাদক ও চোরাচালান মামলা চলমান রয়েছে।

ডিবি পুলিশ টিমের গাড়ি চালক হলেও সে সোর্স হিসেবে নিজের পরিচয় বহন করে। সেই সূত্রে মাদক ও চোরাকারবারিদের কাছে সে ‘ডিবি জুয়েল’ নামে অত্যধিক পরিচিত। জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি টিমের ভাড়ায় চালিত গাড়ির চালক হয়ে ‘ডিবি জুয়েল’র মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জেলার বিশিষ্টজনরা।

সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, জুয়েলের বিরুদ্ধে ডিবির সোর্স পরিচয়ে চোরাকারবারি এবং মাদক ব্যবসায়িদের কাছ থেকে বখরা আদায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও তার সিদ্ধান্তের বাইরে গেলে লোকজনকে গ্রেফতারভীতি দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। মাদক সংশ্লিষ্টতায় জুয়েলের নেটওয়ার্ক কুমিল্লা ছাড়িয়ে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও ফেনি পর্যন্ত ঠেকেছে। এসব জেলায় জুয়েলের মাদকের চালান আটক হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। সীমান্ত এলাকার গরিব ঘরের ছেলেদের ভয় ও প্রলোভন দেখিয়ে মাদক পরিবহনে যুক্ত করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। গাড়ি চালকের অন্তরালে মাদক বাণিজ্যে গত পাঁচ বছরে জুয়েল নগরীর ছোটরায় আলিশান বাড়ি, ডেইরি ফার্ম, বেশ কটি গাড়ির মালিক বনেছেন। তার বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানা সহ অন্যান্য থানায় মাদক ও চোরাকারবারির চারটি মামলা চলমান রয়েছে। অব্যাহতি পেয়েছেন এধরণের আরও ৫/৬টি মামলা থেকে।

জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি শাহ মো. আলমগীর খান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছেন জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী। অথচ জেলা পুলিশের একটি শক্তিশালী সংস্থা গোয়েন্দা শাখার আভিযানিক টিমের ভাড়ায় চালিত গাড়ির একজন চালক যদি মাদক সংশ্লিষ্টতায় জড়িয়ে মামলার আসামি পর্যন্ত হয়, সেক্ষেত্রে এধরণের লোকদের বিরুদ্ধে পুলিশকে কঠোর ভূমিকা রাখতে হবে।

এদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কুমিল্লা ডিবি পুলিশের কথিত সোর্স জুয়েল বলেন, ‘আমি ডিবি পুলিশের একটি টিমের গাড়ি চালাই। এছাড়া আমি একজন খামার ব্যবসায়ি,আমার নিজের ডেইরী ফার্ম আছে। গাড়ির ব্যবসা করি, ডিবিতেও আমার গাড়ি দিয়ে রেখেছি। আমি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নই। বরং মাদক ব্যবসায়িদের বিরুদ্ধে পুলিশকে বিভিন্ন সময় তথ্য দেই। এতে ক্ষুব্দ হয়ে মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যরা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। আমার নামে মাদক মামলাগুলো ষড়যন্ত্রমূলক। বর্তমানে আমার নামে কোন ওয়ারেন্ট নেই।’

কুমিল্লা ডিবি ওসি রাজেশ বড়ুয়া বলেন, জুয়েল নামের কাউকে আমি চিনি না। এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরো পড়ুন