• শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন

কুমিল্লায় রাক্ষসে সাংবাদিকতা ছাড়ুন

/ ৪০ বার পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

কুমিল্লায় রাক্ষসে সাংবাদিকদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ মূলধারার নবীন ও প্রবীণ সাংবাদিকরা যেন তারা ভিনগ্রহের প্রাণী আর রাক্ষসেরাই যেন আল্লাহর তরফ থেকে নাজিল নাজিলকৃত সাংবাদিক। তারা যদি রাসূল (সাঃ) এর জামানায় জন্ম নিতেন তাহলে তারাই হয়তো রাসূল”কেও বিতর্কিত করতেন। মিডিয়ার প্রথম সারির টিভি চ্যানেল ও পত্রিকার লোকেরাও তাদের সাথে তুচ্ছতাচ্ছিল্য ব্যবহার করেন এতো সাহস পান কোথায় থেকে! আপনি নিজে এক সময়ে কোথায় ছিলেন? কি করতেন? সেই দিকে তাকান? আপনি কোথায় কোথায় চাঁদাবাজী করেন ওইটার সব টুকুর খবর নিতে আমাদের বেশি সময় লাগবেনা সারা বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলাতেই আমাদের কমপক্ষে ২/৪/৫ জন সাংবাদিক রয়েছে, কিন্তু এতো বড় সাংবাদিক হয়ে কেন লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বড় মিডিয়াতে দালালির ক্যামেরা আর বুম নেন? সাংবাদিকতায় কোন মিডিয়াকেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই শুধু পার্থক্য হলো TRP তাছাড়া আর কিছুই নহে। যারা নতুন সাংবাদিকতায় এসেছে ধান্দাবাজীর জন্যে নহে সাংবাদিকতা শিখতে তাদের সাথে কেন এমন আচরণ তারা তো আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ। তাহলে তাদেরকে কেন আমরা মূলধারার সাংবাদিকতা শিক্ষাচ্ছিনা? অ আচ্ছা ক্ষমা করবেন আপনিতো অপ-সাংবাদিক আপনি আজও পর্যন্ত একটাও পিআইবি ট্রেনিং দেননি আপনি জানেনইনা সাংবাদিক শব্দের অর্থ কি? আপনি তো জানেনইনা NEWS শব্দের উত্তর অথচ অনেক বড় সাংবাদিক মূলধারার সাংবাদিকদেরকে অপ-সাংবাদিক বানাতে মরিয়ে হয়ে উঠিয়াছেন।আপনারা তো রাক্ষসে সাংবাদিক। বিশ্বাসে মিলে বস্তু তর্কে বহুদূর। কুমিল্লার মানুষ কুমিল্লাকে নিয়ে গর্ববোধ করতে পারেন কারণ বাংলাদেশের সবচাইতে বেশি সাংবাদিকের সংখ্যা কুমিল্লায়, এবং মিডিয়ার মালিক ও কুমিল্লার, মিডিয়া ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালনার দায়িত্ব রয়েছেন বেশি কুমিল্লার। স্নেহ আর ভালবাসা দিয়ে বিশ্ব জয় করা যায় খারাপ ব্যবহার দিয়ে নহে। আপনি কুমিল্লা প্রেসক্লাবের মেম্বার হয়েছেন বলে রাজনৈতিক দালালী করবেন আবার মূলধারার সাংবাদিকদেরকে সাইড দেবেন না এটা কেমন দেখায়।

মনে রাইখেন আমি খন্দকার আমার প্রতিনিধির সাথে কেহ অনৈতিক আর খারাপ আচরণ করলেও আমি কাউকে ছাড় দেই না। বাংলাদেশে প্রায় ১৮ হাজার সাংবাদিকের নেতৃত্ব দেই আর আমার শীষ্য রয়েছে সারা বাংলাদেশে কয়েক হাজার সাংবাদিক। আর কোন সাংবাদিক কিংবা সাংবাদিক পরিবারের উপরে কোন হামলা মামলা শুরু হলে আমি কিন্তু চুপ থাকিনা, কোন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করিনা তবে এতটুকু আমি লিখতাম না শুধু সংশোধন এর জন্যে লিখেছি। এই বয়সে কয়েকটা পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্বে রয়েছি আরও অন্যান্য সংগঠন ও মিডিয়াতে রয়েছেন বেশি কোন পরিচয় দিলাম না। আপনারা কেহ বাসের হেল্পার, কেহ সিএনজি চালক, কেহ অটোরিকশা চালক, কেহ আবার রাজমিস্ত্রী, কেহ আবার সাংবাদিকদের গাড়ি চালাতে চালাতে বিশাল বড় সাংবাদিক হয়েছেন। আপনাদের আচরণ রাক্ষসে কেন? আপনারাতো সারা বাংলাদেশে নজরবিহিন ঘটনা প্রেস ক্লাবের নির্বাচন নিয়ে আরেক প্রার্থীর বাড়িতে গোলাগুলি করে প্রার্থীতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাহলে এটাও কি সাংবাদিকতা? এই জন্যেই আপনাদের জেলাতে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা আপনাদের স্থানীয় পত্রিকাকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করে আপনাদের লজ্জা হওয়া উচিৎ আপনারাই ঐ নেতার পা চাটেন ছি। মনে রাখবেন গিরিংগি বাজীর ফল ভালো হয় না, পরে জুনিয়র সাংবাদিকদের হাতে থাপ্পড় খেয়ে ইজ্জত হারাবেন অন্তত ভালো সাংবাদিক ও ভালো মানুষ হোন অনেক কিছুই লিখতে চাই অন্য মানুষেরা আমাদের নেপথ্য জানুক সেটা আমি কখনোই চাই না। অবশেষে আবারও বলব ছোটদেরকে স্নেহ আর ভালবাসা দিয়ে কাজ শিক্ষা দিন নিজেকে জাহির করতে যাইয়েন না তাইলে কানে-গালে মিলিয়ে দেবে ছোটরা আজকেও খাইতেন যদি আপনাকে সেইফ না করতো। মৌসুমী সাংবাদিকতা ছাড়ুন।


আরো পড়ুন