• শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গরু চুরি আতঙ্কে রাতভর পাহারা গ্রামবাসীর

/ ৪২ বার পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

মোঃ গিয়াস উদ্দিন সরদার, পাবনা প্রতিনিধি:
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গরু চুরির আতঙ্কে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে অধিকাংশ গ্রামের মানুষ। প্রায় এক মাস আগে গরু চুরি করতে আসা তিন যুবক গণধোলাইয়ে নিহত হওয়ার পরে হঠাৎ করে গরু চোরেরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় রাতেই গরু চুরি করতে আসছে। এতে নির্ঘুম রাত কাটছে গরু মালিকদের।

জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি দিবাগত রাতে গরু চুরি করতে তিন চোর উপজেলার বেতুয়ান গ্রামে গণধোলাইয়ে নিহত হয়। নিহতদের সবাই চুরি ডাকাতি, ও হত্যা সহ প্রায় এক ডজন মামলার আসামি। তবে এই ঘটনার পরেই হঠাৎ করে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গরু চুরির উপদ্রব বেড়ে গেছে। গত 22 জানুয়ারি রাতে উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের মহিষবাথান গ্রামে দুটি মহিষ চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসীর ধাওয়ায় মহিষ রেখে পালিয়ে যায় চোর। এর তিনদিন পর ইউনিয়নের খানমরিচ গ্রামে চারটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোর। গত বুধবার রাতে হেলেঞ্চা গ্রামে গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় মালিকের চিৎকারে এলাকাবাসী ধাওয়া করলে চোর গরু রেখে পালিয়ে যায়। একইদিন উপজেলার পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামে রজব সরকারের বাড়িতে গরু চুরি করতে আসলে এলাকাবাসীর ধাওয়ায় চোর পালিয়ে যায়।

কাশিপুর গ্রামের বাসিন্দা ও পৌরসভার কর্মচারী এনামুল হক বলেন, আশেপাশের সকল গ্রামের লোক গরু চোরের আতঙ্কে ভুগছে। তাই সবাইকে সাবধান করতে প্রচারণা চালাচ্ছি।

খানমরিচ ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ নেতা লিটু খান বলেন, বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চোরেরা গরু চুরি করতে আসে। এলাকাবাসীর ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায়। তবে পালাতে গিয়ে তারা সামনে পড়া মানুষকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাতে করে।

খানমরিচ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনোয়ার খান বলেন, প্রতিটি গ্রামে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রধান প্রধান সড়কে চেক পোস্ট বসিয়েছি। পুলিশ সহযোগিতা করছে। এতে কিছুটা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, চুরির উপদ্রব ঠেকাতে বিভিন্ন এলাকায় গ্রামবাসীর সহযোগিতায় রাত জেগে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব পাহারায় পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা করছে। এছাড়া পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।


আরো পড়ুন