• বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

“কুমিল্লায় চিকিৎসকদের হামলায় আহত গণমাধ্যম কর্মীরা, বিষময় রোগীরা”

/ ৪০ বার পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩

সিরিজ রিপোর্ট: ০১
নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুমিল্লা নগরীতে ব্যাঙ্গের ছাতার মত গজিয়েছে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, থাকলেও চিকিৎসা ব্যবস্থা চরম অবনতি হয়েছে! কখন কখন হামলার শিকার হচ্ছেন রোগী সহ তাদের স্বজনরা উক্ত ঘটনা সমূহের সংবাদ পেয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলেই একাধিক সংবাদ কর্মী হামলার শিকার হচ্ছেন এবং হতে হচ্ছে আহত। এ যেন লাগাম টানার কেহ নেই। নির্যাতিত সাংবাদিকরাও চরম মানবিক ও উদার হওয়ার কারনে একের পর এক ছাড় দিয়ে যাচ্ছেন ঘটনাসমূহকে। যদিও কুমিল্লার হাসপাতাল গুলোতে চিকিৎসা সেবা ব্যবস্থা ভাল হয় তাই সেই আশায়, হসপিটালসহ ডাক্তারদেরকে বার বার ছাড় দিয়ে যাচ্ছেন। সাংবাদিকরা জাতির বিবেক, তাদের বিবেকের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ এর কথা চিন্তা করে হাসপাতাল মালিক কর্তৃপক্ষ কখন কখন ডাক্তার, নার্স, আয়া ও স্টাফদের হামলার শিকার হয়ে আহত ও রক্তাত্ব হয়েও তারা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বার বার ছাড় দিয়ে যাচ্ছেন, সাধারণ ক্ষমার মাধ্যমে। কিন্তু মানবিকতা ও মানবিক সাংবাদিকদের সব সময় দূর্বল ভাবছেন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স, আয়া ও স্টাফ গুলি!

দুঃখজনক হলেও সত্য এই যে, কুমিল্লা সাংবাদিকতার একটি মফস্বল এলাকা যদিও সাংবাদিকতায় আমরা বলে থাকি মফস্বলে সাংবাদিকতা করা এটি একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ! যেমন বনে থেকে বাঘের সাথে লড়াই করার মত পরিস্থিতি তৈরি হয়, কিন্তু সাংবাদিকরা লড়াই করেন না প্রতিহত করার চেষ্টা করেন কারন তারা কলম সৈনিক “যেই কলম পৃথিবী সৃষ্টির আগে আল্লাহ সুবাহান তায়ালা সৃষ্টি করেছিলেন এবং কলমকে বলেছিলেন লিখ তখন কলম জবাবে বলেছিলেন হে আমার প্রতিপালক কি লিখবব তখন আল্লাহ সুবাহান তায়ালা বলেছিলেন, সৃষ্টি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লিখ তখন কলম লিখেছিলেন সেই কলমের সৈনিক সাংবাদিকরা তাই তারা লড়াই করেন না তারা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন তাদের লিখনির মাধ্যমে। কোন সংবাদ প্রকাশ করলে ক্ষমাতাধর লোকদের তোপের মুখে পড়তে হয় সাংবাদিক আবার কখন কখন তাদের পরিবার ও স্বজনরা সেই জন্যে সাংবাদিকতায় মফস্বল সাংবাদিকতাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ বলা হয় আর বর্তমানে সাইভার নিরাপত্তা আইনের কারণে তাদের জন্যে আরও বেশি ঝুকিপূর্ণ হয়ে গেছে এই মহান পেশা। সাংবাদিকতা যদিও সেন্ট্রালের সাংবাদিকতাও এখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কারনে কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে আর মফস্বল সাংবাদিকদের জন্যে আরও বিরাট আকারের চ্যালেঞ্জ ধারণ হয়েছে বর্তমানে।

যদিও আমাদের দেশে সব খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির লাগাম টানা গেলেও স্বাস্থ্য খাতে কোন প্রকার অনিয়ম ও দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছেনা আর যেন লাগাম টানার মতোন কেহ নেই! অবাধে চলছে এই স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতি! যেমন ঔষধ এর দাম কোম্পানি গুলো যখন- তখন বাড়িয়ে দিচ্ছেন কোন কৈফিয়ত দিচ্ছেন না কোন কোম্পানি, আবার একটা সিন্ডিকেট ঔষধ এর পাতা কিংবা ঔষধ প্যাকেট এর এ্যালমুনিয়াম ফুয়েল কাগজ ঔষধকে সুরক্ষা রাখার জন্যে মোড়ানো হয় সেটি বাহির থেকে আমদানি করে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছেন যার ফলেও ঔষধ এর দাম অনেকটা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে, অনেক ঔষধ কোম্পানির অভিযোগ রয়েছে, ঘটনা সত্যি হলেও এটি একটি অজুহাত মাত্র। কিন্তু স্বাস্থ্য খাতে বার বার উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও কোন কার্যকারিতা নেই। বিষময় হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের সকল সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের। জনসাধারণের মুখে মুখে নিন্দার ঝড়! হিসেব করলে বর্তমানে পরিবারের খরচের চাইতেও শতকরা ৮০টি পরিবার তাদের পরিবার চালাতে যা খরচ হয় তার চেয়ে বেশি খরচ হয় ঔষধ ও চিকিৎসা খাতে। তার পরেও কুমিল্লার সাংবাদিকেরা চাচ্ছেন যে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলিতে যেন মানুষ ভাল চিকিৎসা সেবা পায়। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছেন হয়ত বা তারা তাদের মনোভাব প্রকাশ করে বুঝাতে পারছেন না কিংবা যাদেরকে বুঝাতে চাচ্ছেন তারা বুঝতে চাচ্ছেন না কিংবা অর্থিক লোভের কারনে বুঝেও না বুঝার ভান করে আছেন নিজেদের লোভ ও স্বার্থের কারনে।

এক সময় বলা হতো কুমিল্লাতে মানুষ এর তুলনায় আবাসিক হোটেল অনেক বেশি কিন্তু এখন বলা হয় কুমিল্লায় মানুষ এর চাইতে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার অনেক অনেক বেশি, আবাসিক হোটেলের তোলনায়ও এখন হাসপাতাল অনেক অনেক বেশি। তার পরেও সবাই সক্রিয় দালাল চক্রের এর মাধ্যেমে রোগী সংগ্রহ করেন সরকারি হাসপাতাল গুলো থেকে, তাদের দালালেরা ওত পেতে বসে থাকেন হাসপাতাল গুলির সামনে, আগে থেকেই রোগী আসলেই সরকারি হাসপাতাল গুলোতে চিকিৎসা ভালনা কি রোগ হইছে? ঐ হাসপাতাল প্রাইভেট ওখানে এই রোগের ভালো ডাক্তার বসেন বলেন অন্য দালালকেও দেখিয়েন দেন উনি ডাক্তার বলে রোগীদেরকে নিয়ে যায় প্রাইভেট হাসপাতালে, অধিক বিল দায়ের ব্যাস্ত হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলো কেননা এর থেকে আলাদা পার্সেন্টেজ দিতে হয়। কুমিল্লায় এমনি এক ঘটনা ঘটেছে, এক প্রবাসী তার পায়ের চিকিৎসার জন্যে দেশে আসেন একটি প্রাইভেট হাসপাতালে দালালের মাধ্যমে কন্ট্রাক্ট করেন ০১লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অপারেশন এর জন্যে কিন্তু রোগীর সমস্যা বাম পায়ে আর ডাক্তার অপারেশন করেছেন ডান পায়ে তাও আবার ঐ হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে, অপারেশন করে আবার ঐ হাসপাতাল নিয়ে যায়, বাম পায়ের অপারেশন হলো ডান পায়ে এই হলো চিকিৎসা ব্যবস্থা কুমিল্লা হাসপাতাল গুলোর। আবার কখন কখন ডাক্তার না থাকলে কম্পাউন্ডার দিয়ে প্রেসক্রিপশনের প্যাডে ঔষধ লিখে দিয়ে দেন যা কিনা ডাক্তার নিজেও জানেন না কিন্তু ঐ হাসপাতালে নিয়মিত ডাক্তার বলে তারাও কিছুই বলেন না। চিকিৎসা ব্যবস্থাকে নিয়েছেন মানব সেবা হিসেবে নহে এটি ব্যবসা হিসেবে পুঁজি করে নিয়েছেন যার ফলে চিকিৎসা সেবার চরম অবনতি হয়েছে। যে শুধু তাই নহে এই হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোর ডাক্তার, ইনটার্ন শিপ ডাক্তার, নার্স, আয়া ও স্টাফরা সন্ত্রাসী আকারে রুপ ধারণ করেছে। অনেক হাসপাতালে দেখা যায় নিয়মিত বেতন দিয়ে রাখা হয় রোগী ও স্বজন সহ কেহ কোন ঝামেলা করতে চাইলে হামলার মাধ্যমে প্রতিহত করার জন্য। বিভিন্ন সময়ে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোর চিকিৎসা ব্যবস্থা অনিয়ম, ভূল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু, হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স, আয়া ও স্টাফদের হামলার শিকার রোগী ও স্বজনরা এমন সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলেই প্রতিনিয়ত সাংবাদিক হামলা ও নির্যাতন এর শিকার হতে হচ্ছেন যেখানে সাংবাদিক ছাড় পায় না সেখানে সাধারণ মানুষ যখন রোগী ও তাদের স্বজনদের সাথে কেমন আচরণ হয় আর কেমন চিকিৎসা হয় সেটি আর বুঝার বাকি নেই।

মফস্বলে যারা মূলধারা সাংবাদিক বড় বড় টেলিভিশন ও পত্র-পত্রিকার কাজ করেন তারাও রেহাই পান না এই সব হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের হায়না গুলির হাত থেকে! তারা মূলধারার সাংবাদিকদের চুনুপুটি মনে করেন কিন্তু মূলধারার সাংবাদিকরা কখন বিশৃঙ্খলা চায় না সব সময় সংশোধন চায়, তাই সব সময় তারা অপরাধ করলেও ছাড় দিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসা ব্যবস্থা সংশোধন হওয়ার জন্য কিন্তু না এতে কোন কাজেই আসছেনা তবে কুমিল্লার সাংবাদিকরা বিচক্ষণ সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী আর তারা সেটাই করেন। বাংলাদেশে যেমন কুমিল্লা জেলায় সব চাইতে মিডিয়া কর্মী বেশি তেমন মিডিয়ার পত্র-পত্রিকার মালিকও কুমিল্লার বেশি, তাদের মধ্যেই মূলধারার সাংবাদিক ও বিচক্ষণ, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিক বেশি।

সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ডাক্তার, নার্স, আয়া ও স্টাফদের হামলার সাংবাদিক আহত হওয়ার ঘটনা ইতমধ্যে কয়েকটি ঘটেছে।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্যাজুয়ালিটি বিভাগে চিকিৎসাধীন নির্যাতিনের শিকার শিশু সুমাইয়া আক্তার সুমি নামের এক শিশু গৃহকর্মীর ভিডিও ধারণ করতে গেলে লাঞ্চনার শিকার হোন যমুনা টেলিভিশনের ব্যুরো চীফ রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন ও ভিডিও জার্নালিস্ট কামরুল হাসান দু-জনেই হামলার শিকার সারা বাংলাদেশ জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠে কিন্তু রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন মানবতার দৃষ্টিকোণ থেকে হামলা কারীদের কোন প্রকার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করেই বরং ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং এমন ঘটনা আর ঘটাবেন বলেও ক্ষমা চায় হামলাকারী ডাক্তার গুলি। যদি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো হয় সেই প্রত্যাশায় তারা কখন সম্মানিত পেশাকে ছোট করে দেখেন না বরং তারা সংশোধন করার চেষ্টা করেন।

তার বেশ কয়েকদিন আগে সাংবাদিক জানে আলম নামে এক সাংবাদিক কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মায়ের চিকিৎসা নিতে গেলে সেও ইন্টার্ন ডাক্তার, দারোয়ান ও আয়াদের হামলার শিকার হোন এক পর্যায়ে সেই সাংবাদিক এর মা”কে চিকিৎসা না দিয়ে হাসপাতাল থেকে রিলিজ করে দিয়েছেন ডাক্তার নামক কসাইরা কিন্তু জানে আলমও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তাও যেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার মান ও তাদের আচরনের মান ভালো হয় সেই জন্য। আরেক সাংবাদিক এর বোন এর স্বামীর চিকিৎসা করতে গিয়ে ডাক্তার ও নার্সদের মারমুখী আচরণ এর তোপের মুখে পরতে হয় ইতোমধ্যে উক্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ কুমিল্লায় হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোর চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যবসা হিসেবে নিয়ে এই সেক্টরটি সেবার চরম অবনতি হয়েছে। যেন মানুষ এর জীবন এর মূল্যের চাইতে টাকার মূল্য অনেক বেশি। এই চিকিৎসা ব্যবস্থা নামক হাসপাতাল ব্যবসায়ীদের কাছে।

কুমিল্লা নগরীর হলি কেয়ার হাসপিটালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু”র সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে বিএমএর সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ এর হামলার শিকার হোন ডিবিসি চ্যানেলের ক্যামেরা ম্যান ও সেই সময়, সময় টিভি, যমুনা টিভির প্রতিনিধিদের সাথে মারমুখী আচরণ ও হামলার মতন ঘটনায় ভাবিয়ে তুলে জাতিকে! উক্ত বিষয় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে মামলা হলেও আবারও মানবিকতায় দেখিয়ে আরেকটি সুযোগ দিয়েছেন কতৃপক্ষকে। তবে কুমিল্লার সাংবাদিকেরা সব সময় ব্যাঙের ছাতার মত গজানো হাসপাতাল গুলোর চিকিৎসা ব্যবস্থা ভাল মানের হোক অপচিকিৎসা কারো মৃত্যু চায় না। সব সময় ভাল চিকিৎসা আশা করেই প্রতিবাদের ক্যামেরা, বুম ও কলম চালিয়ে যাচ্ছেন। মূলধারার সাংবাদিকরা সব সময় চায় সংশোধন।

কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক ম্যাক রানা ও সাইফুদ্দিন শাফি হামলার শিকার হয়। যদিও সেই ঘটনা সারা দেশে ব্যাপকভাবে প্রতিবাদের সারা ফেলে পরবর্তীতে পরিচালক বদলি হয়ে এখন পাসপোর্ট অফিসের দালাল চক্রের প্রায় ৭০% কমে গেছেন কিন্তু দালাল মুক্ত করতে এখনো কুমিল্লার সাংবাদিকরা কাজ করছেন।

সাংবাদিক যে শুধু মানুষ এর খারাপটা তুলে ধরেন তা না কিন্তু ভাল দিকটাও তুলে ধরেন যা ঘটে, ঘটে যাওয়া ঘটানাকেই উপস্থাপন করেন মিডিয়াতে, সাংবাদিক সব সময় সংশোধন করতে চায় যা সংশোধন হওয়ার না তা ধ্বংস হয়ে যায় কিন্তু সাংবাদিকরা সংশোধন করতে চায় ধ্বংসের পক্ষে নহে। তবে হে যা দেশ ও জাতির জন্যে ধর্ম, কর্ম, দেশকে ধ্বংস করতে চায় সেটাকেই ধ্বংস করার লক্ষে কাজ করেন, কেননা তা সংশোধন হওয়ার না। সব সময় অসাধু চক্র সাংবাদিকদেরকে প্রতিপক্ষ মনে করেন আসলেই তা না সাংবাদিক কারো প্রতিপক্ষ নহে সাংবাদিক সব সময় ঘটে যাওয়া ঘটনাকে ধারণ করে উপস্থাপন করেন সংবাদের মাধ্যমে কাউকে হেউ তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার জন্যে নহে! সাংবাদিকদেরকে সব সময় প্রতিপক্ষ ভাবার কোন প্রকার সুযোগ নেই কেননা সংবাদে সাংবাদিক এর কোন বক্তব্য থাকেনা সংশ্লিষ্ট ভূক্তভোগী ও চারপাশে দেখার মানুষ গুলোর কথা ও প্রমাণ পেশ করেন মিডিয়াতে। সাংবাদিকদেরকে প্রতিপক্ষ ভাবার কোন প্রকার সুযোগ নেই।


আরো পড়ুন