• শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০:১৫ অপরাহ্ন

কাঠ কাটার ঘটনায় খুনের মামলার পলাতক ০২ আসামী ২৭ বছর পর গ্রেফতার

/ ৫৭ বার পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০২৩

গত ১৯৯৬ সালে চকরিয়া এবং কক্সবাজারের ০৯ জন কাঠুরিয়া বান্দরবানের লামা বনে কাঠ কাটতে যায়। সেখানে কাঠ কাটা নিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ০৮ কাঠুরিয়া পরস্পর যোগ সাজশে পরিকল্পিতভাবে তাদের সতীর্থ একজন কাঠুরিয়াকে দেশীয় ধাড়ালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যা করে। উক্ত হত্যা কান্ডের ঘটনায় নিহত ভিকটিমের সতীর্থ ০৮ জন কাঠুরিয়াকে আসামী করে বান্দরবান জেলার লামা থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়।

পরবর্তীতে মামলাটি রুজু হওয়ার পর বিজ্ঞ আদালত সমস্ত সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে উল্লেখিত ০৮ জন কাঠুরিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করে তাদের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জাড়ি করে। উল্লেখ্য যে, উক্ত হত্যা মামলাটি রুজু হওয়ার পর পরই হত্যাকারী ০৮ কাঠুরিয়া আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট গ্রেফতার এড়াতে পাহাড়ী বনের গভীর অরণ্যে সম্পূর্ণ আত্বোগোপনে চলে যায়। হত্যাকারীদের প্রেফতারে লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা ও নজরদারি অব্যাহত থাকে।

এরই প্রেক্ষিতে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, উল্লেখিত হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক ০২ জন আসামী কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন সুরাজপুর মানিকপর এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে ছদ্মবেশে আত্বোগোপণ করে আছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৪ জুলাই ২০২৩ইং তারিখ র‍্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল বর্ণিত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ বেলাল উদ্দিন (৫০), পিতা- ওমর আলী, এবং ২। আবুল হোসেন (৬৫), পিতা-মৃত জলিল আহম্মেদ, উভয়ের সাং-ভিলেজপাড়া, থানা- চকরিয়া, জেলা- কক্সবাজারদ্বয়কে আটক করতে সক্ষম হয়।

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে তারা উক্ত হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী বলে স্বীকার করে। এছাড়াও আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, এই মামলার ০৩ জন আসামী মৃত্যুবরণ করেছে এবং বাকি ০৩ জন আসামী এখনও পলাতক রয়েছে। উক্ত পলাতক আসামীদের প্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রামের তৎপরতা ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামী সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরো পড়ুন