• রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন

শিল্পসত্তার যথাযথ মূল্যায়নে মেধাস্বত্ব সুরক্ষার বিকল্প নেই : এফবিসিসিআই

/ ৫৭ বার পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

দেশের বাণিজ্যিক ও সৃজনশীল মৌলিক শিল্পসত্তার যথাযথ মূল্যায়নের জন্য মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) নেতারা।

বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এফবিসিসিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি রাইটস বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সভায় তারা এ কথা বলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, শিল্পী, উদ্যোক্তা, নীতিনির্ধারকসহ সাধারণ নাগরিকদের মাঝে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো সুপারিশগুলো আমলে নিয়ে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

স্ট্যান্ডিং কমিটির সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআই’র সহসভাপতি এম এ মোমেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীসহ আমাদের সবারই স্বপ্ন ডিজিটাল অর্থনীতি গড়া। এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকারকে অবশ্যই মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এবার বাংলাদেশে বিজনেস সামিটে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সামনে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরা হবে। ফলে এ সময়টিতে বিনিয়োগকারীদের কাছে মেধাস্বত্ব সুরক্ষার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত সরকার বলেন, বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের যাত্রায় ক্রমাগত এগিয়ে চলেছে। উত্তরণপরবর্তী সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্যকে কমপ্লায়েন্স করতে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা আইনকে আরও যুগোপযোগী করতে হবে। এ জন্য বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যের ব্র্যান্ডিং বাড়ানো জরুরি।

সভায় এফবিসিসিআই এর সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় কাজ করা প্রয়োজন। বিশ্বমানের পণ্য এখন বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে। সুতরাং পণ্য তৈরির সঙ্গে সঙ্গে এর অধিকারও সংরক্ষণ করতে হবে। এ জন্য প্রচার প্রচারণা জরুরি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান এবং ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইপিএবি)-এর মহাসচিব মো. আজিজুর রহমান।

তিনি বলেন, মেধাস্বত্ত্ব সুরক্ষার অভাবে স্বাস্থ্য এবং অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিদেশি কোম্পানিগুলো অনেক সময় ব্র্যান্ড চুরির ভয়ে এদেশে ব্যবসা করতে নিরুৎসাহিত হয়। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নিয়ে কাজ করতেই হবে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই’র পরিচালক হাসিনা নেওয়াজ, আবু মোতালেব, শফিকুল ইসলাম ভরসা, হাফেজ হারুন, ইকবাল শাহরিয়ার, মো. নাসের, আক্কাস মাহমুদ, ড. নাদিয়া বিনতে আমীন, উপদেষ্টা মনজুর আহমেদ, কমিটির কো-চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান, মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, এম এস সিদ্দিকী, এস এম রাশেদুল কাইয়্যুম, ওসমান গণি প্রমুখ।


আরো পড়ুন