• শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:৩২ অপরাহ্ন

প্রান্তিক মানুষদের ইংরেজি শিক্ষা ও প্রযুক্তির সুযোগ বাড়ানোর তাগিদ

/ ৫২ বার পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৩

গবেষণা প্রতিবেদন:
স্বল্পোন্নত দেশগুলোর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ইংরেজি শিক্ষা ও প্রযুক্তির সুযোগ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

‘নিম্ন আয়ের দেশগুলিতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ইংরেজি ও প্রযুক্তি অবশ্যই মৌলিক শিক্ষার অংশ হতে হবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে এর বিকল্প নেই। এর সঙ্গে প্রযুক্তির খারাপ প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক এবং ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। নিম্ন আয়ের দেশগুলো প্রযুক্তি শিক্ষায় বঞ্চনার শিকার। আর ইংরেজি শিক্ষায় সুবিধাবঞ্চিত। এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্য সব শিশুর জন্য ইংরেজি ও প্রযুক্তি শিক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এ জন্য ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালানোর প্রতি গবেষণা প্রতিবেদনে গুরুত্বারোপ করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বাংলাদেশ ইংরেজি ভাষা শিক্ষক সমিতির (বেল্টা) সভাপতি ড. রুবিনা খান গবেষণার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।

তিনি বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ, নেপাল, সেনেগাল ও সুদানে নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর শিশুদের ইংরেজি ও প্রযুক্তি শিক্ষার সুযোগ নিয়ে গবেষণা চালানো হয়। চারটি দেশের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পিতা-মাতাদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভিজ্ঞতা তুলে আনা হয়। এর মাধ্যমে ইংরেজি ভাষা ও প্রযুক্তি শিক্ষার ভূমিকা নিরূপণ করা হয়েছে। গবেষণার সুপারিশ কার্যকর করা গেলে শিক্ষা ক্ষেত্রে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

ব্রিটিশ কাউন্সিলের অর্থায়নে যুক্তরাজ্যের দ্য ওপেন ইউনিভার্সিটির সম্প্রতি পরিচালিত গবেষণায় অংশ নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মোনাস ইউনিভার্সিটি (অস্ট্রেলিয়া), আহফাদ ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন (সুদান), সেনেগাল ইউনিভার্সিটি এবং ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় (নেপাল)।

শিক্ষা, প্রযুক্তি, লিঙ্গ এবং প্রান্তিকতা বাড়ানো বা কমানোর ক্ষেত্রে ইংরেজি ও প্রযুক্তি শিক্ষার ভূমিকা পরিমাপ করাই ছিল গবেষণার উদ্দেশ্য। একইসঙ্গে ইংরেজি ও প্রযুক্তি শিক্ষা প্রসারে সুপারিশ তুলে ধরা হয়। গবেষণায় ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী ছাত্র এবং তাদের শিক্ষক এবং পিতা-মাতা অংশগ্রহণ করেন।


আরো পড়ুন