• মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৫০ অপরাহ্ন

সাবেক এমডিসহ সোনালী ব্যাংকের ৯ জনের কারাদণ্ড

/ ৭৩ বার পঠিত
আপডেট: সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২২

সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ুন কবিরসহ ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় তাদেরকে এ কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রোববার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন কারাদণ্ডের এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সাবেক এমডি ও সিইও হুমায়ুন কবির, জিএম ননী গোপাল নাথ, ডিজিএম সফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজিএম কামরুল হোসেন খান, ডিএমডি মাইনুল হক, এক্সিকিউটিভ অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল মতিন, প্যারাগন প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের এমডি সাইফুল ইসলাম রাজা, পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মন্ডল ট্রেডার্সের মালিক মকুল হোসেন।

তাদেরকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারায় ১০ বছর এবং ৪২০ ও ১০৯ ধারায় ৭ বছর কারাদণ্ড দেন আদালত। তবে, দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে বলে তাদের ১০ বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

অন্যদিকে, সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম আলতাফ হোসেনকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারায় পাঁচ বছর এবং ৪২০ ও ১০৯ ধারায় আরও তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। তিনিও দুই ধারার সাজা একত্রে ভাগ করবেন। এ জন্য তাকে পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হবে।

এছাড়া আত্মসাৎ করা ৫ কোটি ১৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭০০ টাকা ১০ আসামির কাছ থেকে সমহারে নিয়ে রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দণ্ডিত ১০ আসামির প্রত্যেককে আরও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি মাইনুল হক, ডিজিএম শেখ আলতাফ হোসেন, ডিজিএম সফিজ উদ্দিন আহমেদ ও এজিএম কামরুল হোসেন। তাদেরকে সাজার পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি ছয় আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি দুদকের উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদিন রমনা থানায় এ মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে মিথ্যা ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্যারাগন প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড বরাবর মিথ্যা ও ভুয়া আমদানি-রপ্তানি দেখান। ৫ কোটি ২০ লাখ টাকা পরিশোধ না করে পরবর্তীতে সমন্বয় করে আইবিপি ঋণ সৃষ্টি করে ৫ কোটি ১৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাৎ করেন।

তদন্ত শেষে এ মামলায় ২০১৪ সালের ২২ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক সেলিনা আখতার মনি।


আরো পড়ুন