• সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিএমএসএফ’র নিন্দা ও প্রতিবাদ পাবনা- সিরাজগঞ্জ রোড এর উল্লাপাড়া উপজেলার বোয়ালিয়া নামক স্থানে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ১ সেনা সদস্য নিহত রায়পুরে অজ্ঞাত কিশোরের লাশ উদ্ধার! ত্রিশালে যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত রোপা আমন চাষে কৃষকের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ বিএফইউজে নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে বিএমএসএফ’র অভিনন্দন ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা বিএমএসএফ এর সভাপতি মিজান সা: সম্পাদক রায়হান কমিটি ঘোষণা স্কুলছাত্রী অপহরণের ঘটনায় শিক্ষক গ্রেফতার পূজামণ্ডপে হামলায় আমাদের নেতাকর্মী জড়িত নয় : ভিপি নুরুল হক নুর ১৫-১৮ বছরের অবিবাহিত মেয়ে থাকলে প্রতি মাসে পাবেন ৩০ কেজি চাল

নিস্তেজ সায়মাকে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে টেনে রান্নাঘরে নেয় রশীদ

Reporter Name / ১২৮ Time View
Update : রবিবার, ৭ জুলাই, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :রাজধানীর ওয়ারীতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার শিশু সামিয়া আফরিন সায়মার (৭) হত্যাকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার যুবকের নাম হারুনুর রশীদ। রোববার তাকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের ওয়ারী বিভাগের ডিসি ইফতেখার আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতার হারুনের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়। ঘটনার পর সে পলাতক ছিল। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করে তাকে সোনারগাঁ থেকে ধরে আনে।
পুলিশ জানায়, শিশু সামিয়াকে ছাদ দেখানোর কথা বলে ভবনের ৯ তলার ফাঁকা ফ্ল্যাটে নিয়ে যায় ধর্ষক হারুন অর রশিদ। সেখানে শিশু সায়মাকে ধর্ষণ ও অমানসিক নির্যাতন চালায় সে। একপর্যায়ে সায়মা নিস্তেজ হয়ে পড়ে। মৃত ভেবে তার গলায় দড়ি পেঁচিয়ে টেনেহিচড়ে রান্না ঘরে নিয়ে সায়মাকে সিঙ্কের নিচে রেখে পালিয়ে যায় হারুন।
রোবাবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন।
তিনি বলেন, ‘শুক্রবার (৫ জুলাই) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে সাড়ে ছয়টার মধ্যে এঘটনা ঘটে। ওই দিন সাময়া তার মাকে বলে যায়— ‘ভবনের আট তলায় ফ্ল্যাট মালিক পারভেজের ছোট বাচ্চার সঙ্গে সে খেলবে। ওই ফ্ল্যাটে গেলে পারভেজের স্ত্রী জানান, তার মেয়ে ঘুমাচ্ছে। একারণে সায়মা বাসায় ফিরে আসছিল।’
আব্দুল বাতেন বলেন, ‘ভবনের লিফটে করে নামার সময় সায়মার সঙ্গে পারভেজের খালাতো ভাই হারুনের দেখা হয়। হারুন সায়মাকে ছাদ দেখানোর কথা বলে লিফট থেকে ছাদে নিয়ে যায়। এরপর সে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করলে সায়মা চিৎকার দেয়। এসময় সে সায়মার মুখ চেপে ধরে এবং ধর্ষণ করে। পরে সায়মাকে নিস্তেজ দেখে তার গলায় দড়ি পেঁচিয়ে টেনে ফ্ল্যাটের রান্নার ঘরে নিয়ে যায়। এরপর সায়মার লাশ সিঙ্কের নিচে রেখে হারুন পালিয়ে তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার তিতাস থানার ডাবরডাঙ্গায় চলে যায়।’
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযুক্ত আসামি হারুন ওই ভবনের ফ্ল্যাট মালিক পারভেজের খালাতো ভাই। গত দুমাস ধরে পারভেজের বাসায় থাকতো। পুরান ঢাকায় পারভেজের রঙয়ের দোকানে কাজ করতো হারুন।
শিশু ধর্ষণের ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ উল্লেখ করে অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন বলেন, এ ধরনের অপরাধীরা সাধারণত ধর্ষণের পর যখন মনে করে বিষয়টি জানাজানি হবে, বা নিজে রেহাই পাবে না, ঠিক তখনই ভুক্তভোগীকে হত্যা করে। মূলত অপরাধ ঢাকতে গিয়ে সায়মাকে হত্যা করেছে হারুন।
তিনি বলেন, সায়মাদের পরিবারের সঙ্গে পারভেজের পরিবারের ভালো সখ্যতা ছিল। তবে এই ঘটনায় অন্যকোনও কারণ বা কেউ জড়িত ছিল না। হারুন এটা একাই ঘটিয়েছে।
বাতেন বলেন, গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হারুন ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে। এখন আসামি হারুনকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category