• রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:২৫ অপরাহ্ন

সরকার জনবিস্ফোরণ ঠেকাতে পারবে না : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

/ ৩৫ বার পঠিত
আপডেট: সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২

শতবাধা ও জুলুম-নির্যাতন চালিয়েও সরকার জনবিস্ফোরণ ঠেকাতে পারবে না মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্যাতন চালিয়ে সরকার ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে দমাতে পারবে না। সরকারের পতন অনিবার্য। রোববার (২৭ নভেম্বর) বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকার বিরোধী দলহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েমের মাধ্যমে নিজেদের অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘকাল ভোগ করার বাসনায় লিপ্ত।

তাই তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে লাগামহীনভাবে বাধা দিচ্ছে। সরকারের মদদে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যা, গুরুতর আহত, বানোয়াট মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার এবং বিএনপির শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশ পণ্ড করাকে নিত্যদিনের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড হিসেবে গণ্য করছে।


তিনি বলেন, গণধিকৃত আওয়ামী সরকার জনবিস্ফোরণ দেখে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে নিঃশব্দ পরিবেশ সৃষ্টি করতেই নিশিরাতের সরকার বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোকে স্তব্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে। সেজন্য তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কব্জায় নিয়ে বিএনপি এবং বিরোধী দলগুলোর সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ও মানবিক কর্মসূচির ওপর বেপরোয়া হামলা শুরু করেছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলার দলীয় কার্যালয়ে কৃষকদলের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে বোরো ধানের বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা পৈশাচিক হামলা চালিয়ে বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল আলম, উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক সুধীন্দ্র চন্দ্র দাস, কৃষকদল নেতা মো. দুলাল মিয়া, সাহাব উদ্দিন, মঈনুল হাসান বাবলু, নিপেন্দ্র চন্দ্রসহ কৃষকদলের অনেক নেতাকর্মীকে গুরুতর আহত করেছে। এছাড়া পাবনার ইশ্বরদী উপজেলায় ঋণ নিয়ে ফেরত না দেয়ার অভিযোগে ৩৭ জন কৃষকের নামে করা মামলায় ইতোমধ্যে ১২ কৃষককে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর মর্মান্তিক ঘটনা সেটিরই ধারাবাহিক অংশ।

সরকারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, একদিকে অবৈধ সরকারের লুটেরা বাহিনী লুন্ঠন করে বিদেশে বিপুল অর্থবিত্তের পাহাড় গড়ছে, অন্যদিকে দেশের কৃষক যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল উৎপাদন করছে তাদের ওপর চলছে সীমাহীন জুলুম ও অত্যাচার করছে। কৃষকরা এখন অভাব ও দেনার দায়ে জর্জরিত। ক্ষোভ-হতাশা ও বঞ্চনায় তারা আত্মহত্যাও করছে। বর্তমান সরকার জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নয় বলেই জনস্বার্থের কোন দাবি বা অধিকারকে পরোয়া করে না। সরকার তাদের কৃতকর্মের জন্য এখন পুরোপুরি জনবিচ্ছিন্ন।


আরো পড়ুন