• বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:৫০ অপরাহ্ন




রিজার্ভ বাড়া-কমা নিয়ে ঘাবড়ানোর কারণ নেই

/ ২১ বার পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২২
ডলার

‘রিজার্ভের কমা-বাড়া নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। এটা সিজনাল, কখনও বাড়বে আবার কখনও কমবে। সোমবার (২১ নভেম্বর) রাতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাপ্তাহিক আয়োজন ‘রাজনীতির সাতকাহন’-এ বক্তারা এসব কথা বলেন।

এবারের আলোচনার আলোচ্য বিষয় ছিল ‘ব্যাংকের টাকা গেল কোথায়? প্রকৃত দেউলিয়া আসলে কারা? আওয়ামী লীগের উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের সঞ্চালনায় লাইভ অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রচার করা হয়।

বক্তারা বলেন, আইএমএফের লোন এক মাসের ফরেন কারেন্সি দিয়েই পরিশোধ করা সম্ভব। বাংলাদেশ ১০ বার লোন নিয়ে শোধ করেছে। সন্ত্রাসীরা রিজার্ভ গিলে ফেলেছে বলে অপপ্রচার হচ্ছে। এটা গুজব। বাস্তবে তার হিসাব বাংলাদেশ ব্যাংকের রয়েছে। রিজার্ভ থেকে এক্সট্রা খরচের পরিমাণটা কমেছে। এটা নিয়মিত কাজের অংশ। অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি সাধারণ সম্পাদক ড. জামাল উদ্দিন এবং সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন মোহাম্মদ এ আরাফাত।

ড. জামাল উদ্দিন বলেন, রিজার্ভের বাড়া-কমা নিয়ে ঘাবড়ানোর কোনো কারণ নেই। সাড়ে তিন মাসের আমদানির পরিমাণ ইউএস ডলার (রিজার্ভ কারেন্সি) থাকলেই একটা দেশের জন্য যথেষ্ট। রিজার্ভ সিজনাল, এটা কখনও বাড়বে আবার কখনও কমবে।

তিনি বলেন, আইএমএফ তার সদস্য দেশগুলোকে লোন দেয়। সদস্য হিসেবে লোন পাওয়ার অধিকার রাখে বাংলাদেশ। আমরা তাদেরকে লোনের বিপরীতে সুদ দেই। আমরা প্রতিমাসে এক্সপার্ট এবং রেমিট্যান্সের মাধ্যমে সাড়ে সাত বিলিয়ন ডলার ফরেন কারেন্সি পেয়ে থাকি। আইএমএফের লোন হলো ৪.৫ বিলিয়ন ডলার। সুতরাং আমরা চাইলে তাদের লোন এক মাসেই পরিশোধ করতে পারি। আমরা এর আগে ১০ বার লোন নিয়েছি। তাদের লোন ফেরতও দিয়েছি।

সুচিন্তার চেয়ারপারসন মোহাম্মদ এ আরাফাত বলেন, ২০২১ সালে আমাদের রিজার্ভ বেড়ে সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল। এটা নিয়ে তো কেউ বিতর্ক করেনি। ১৪ মাসে সেটি কমে ৩৫.৮ বিলিয়ন ডলার হলো। এটা নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। করোনা, আমদানি পণ্যের দামবৃদ্ধিসহ পরিবহন খরচও বৃদ্ধি পাওয়ায় এতটুকু হয়েছে।

তিনি বলেন, নভেম্বরে দুটি পেমেন্ট করায় রিজার্ভ ৩৪.৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এসব পেমেন্ট করা হয়েছে। এখানে লুকোচুরির কিছু নাই। এর সঙ্গে দেশি-বিদেশি কারও দ্বিমতও নেই।





আরো পড়ুন