• বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
Headline
“ঝালকাঠি নাগরিক ফোরামের উদ্যোগে করোনারোধে মাক্স ও লিফলেট বিতরণ” মালিকানাধীন ভূমির অধিকার ফিরে পেতে গৃহবধূর সংবাদ সম্মেলন! সাংবাদিকদের দাবী ও অধিকার রক্ষায় ১৪ দফার বিকল্প নেই: বিএমএসএফ এইচএসসির ফল হবে এসএসসির ৭৫ ও জেএসসির ২৫ শতাংশ নিয়ে ! বিশ্ব অপরিণত নবজাতক দিবস ২০২০ ইং উপলক্ষে সুর্যের হাসি ক্লিনিকে আলোচনা সভার আয়োজন ময়মনসিংহের ত্রিশালে  বিশ্ব এন্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ পালিত! গাজীপুরে জাহিদ আহসান রাসেলএম পি ও তার সহধর্মিণীর রোগ মুক্তির জন্য দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত ! সাংবাদিকরা নিত্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংগ্রাম করছেন: পাইলট গাইবান্ধা সাঘাটা উপজেলায়গাছের সাথে রশি পেঁচিয়ে এক যুবকের আত্মহত্যা ! গাইবান্ধার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে সদর ইউএনও’র মতবিনিময় সভা অনুঠিত!

প্রবাসী নারীর শিশুকে ‘নগ্ন করে নির্যাতন’ সেই চাচা গ্রেপ্তার!

Reporter Name / ৭৮ Time View
Update : রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৯

প্রবাসী মায়ের কাছ থেকে ‘টাকার জন্য’ শিশুকে নগ্ন করে নির্যাতনের অভিযোগে হবিগঞ্জে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার বানিয়াচং উপজেলার খাগাউড়া এলাকা থেকে স্বপন মিয়াকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়। স্বপন মিয়া নবীগঞ্জ উপজেলার চরগাঁও গ্রামের মৃত মনাই মিয়ার ছেলে।

বিকেলে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লাহ একথা জানান।

পুলিশ সুপার (এসপি) বলেন, নবীগঞ্জ পৌর এলাকার চরগাঁও গ্রামের সুফি মিয়া ও সুমনা বেগমের দুই সন্তান। সুফি মিয়ার মৃত্যুর পর সন্তানদের শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের কাছে রেখে তিনি জীবিকার উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান।

সুমনা বেগমের করা মামলার বরাত দিয়ে এসপি বলেন, টাকার জন্য স্বপন মিয়া প্রায় সময়ই তার সন্তানকে নির্যাতন করতে থাকেন। সন্তানকে নির্যাতন থেকে বাঁচাতে ধাপে ধাপে স্বপনের কাছে টাকাও পাঠান সুমনা। কিন্তু তাতে নির্যাতন থামেনি।

এসপি বলেন, সম্প্রতি সুমনার ৬ বছর বয়সী ছেলেকে নগ্ন করে নির্যাতন করে স্বপন মিয়া এবং সেই দৃশ্য ভিডিও করে মায়ের কাছে পাঠান। টাকা না দিলে আরও নির্যাতনের হুমকি দেন।

এসপি বলেন, এই ভিডিও দেখে গত ২ নভেম্বর দেশে ছুটে আসে মা সুমনা। মঙ্গলবার নির্যাতনের এ ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় নানান আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।

“বুধবার রাতে এ ঘটনায় সুমনা আক্তার বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় স্বপনকে একমাত্র আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।”

পুলিশ সুপার আরও বলেন, পুরো ঘটনাটি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে আর কারো সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া মামলার বাদী সুমনা আক্তারের সঙ্গে তার দেবর স্বপন মিয়ার বিয়ে হয়েছে কিনা তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

“স্বপন মিয়ার দাবি সে সুমনাকে বিয়ে করেছে। তবে সুমনা আক্তার বিয়ের কথা অস্বীকার করছে।”

নির্যাতনে শিকার শিশুটির মা ও মামলা বাদী সুমনা আক্তার বলেন, “আমি কখনও আমার দেবর স্বপন মিয়াকে বিয়ে করেনি। সে আমার ছোট্ট শিশুটিকে যেভাবে নির্যাতন করেছে আমি তার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

প্রেস ব্রিফিংয়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা, সহকারী পুলিশ সুপার এসএম রাজু আহমেদ ও নবীগঞ্জ থানার ওসি আজিজুর রহমানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মামলায় বলা হয়, পিতৃহারা ছোট দুই শিশুকে দাদা-দাদি আর দেবরের কাছে রেখে জীবিকার তাগিদে গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি আরব গিয়েছিলেন সুমনা বেগম। যাওয়ার আগে সন্তানদের দেখাশোনার জন্য স্বপনকে কিছু টাকাও দিয়ে গিয়েছিলেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category