• সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন




ক্ষমতায় গেলে সব প্রতিষ্ঠান পুনর্নির্মাণ করা হবে: মির্জা ফখরুল

/ ২৮ বার পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২২
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে সরকার এখন বলছে দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শুনতে পাই। সরকার এই দেশকে নরকে পরিণত করেছে বলেন তিনি।

শনিবার (২২ অক্টোবর) খুলনায় আয়োজিত বিএনপির মহাসমাবেশে এসব কথা বলেন ফখরুল। তিনি বলেন, ২০২৩ সালের নির্বাচনকে আবারও আগের কায়দায় করার চেষ্টা করছে সরকার।

নির্বাচন কমিশনকে তো ডিসি-এসপিরাই মানে না। এই দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোন নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। সুতরাং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হতে হবে।

অভিযোগ করে ফখরুল ইসলাম বলেন, বিএনপির শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে গুলি করছেন, হামলা করছেন, বাধা দিচ্ছেন কেন? অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে দশটা আসনও পাবে না আওয়ামী লীগ। সে জন্যই নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে ভয় পায় তারা।

ফখরুল বলেন, জনগণের অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মানবিক বাংলাদেশ ফিরিয়ে আনতে রাজপথেই ফয়সালা করতে হবে।  ভবিষ্যতে রাষ্ট্রব্যবস্থা ফিরে পেলে সব প্রতিষ্ঠান পুনর্নির্মাণ করা হবে।  সবকিছু ঠিকভাবে পালন না করতে পারলে নিরাপদে চলে যান। তা না হলে জনগণের অভ্যুত্থানে আপনাদের পরাজয় হবে।

সমাবেশে পুলিশকে জনগণের সাথে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা জিন্দা লাশ হয়ে গেছে। জনগণের ইস্যুতে আন্দোলন করতে গিয়ে ৫ জন জীবন দিয়েছে। গয়েশ্বর বলেন, বিদেশি শক্তি আর এই সরকারের সাথে নেই। সরকারের পতন ঠেকিয়ে রাখার ক্ষমতা নাই কারও। জনগণ ধাক্কা দিয়ে সরকারকে ফেলার সময় কাছাকাছি।

সমাবেশে বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ বলেছেন, এই সরকারের সব খেলা শেষ। সরকার হটানো ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বাতিল, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন পর্যন্ত নেতা কর্মীদের সাহস ধরে রাখতে হবে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এসএম শফিকুল আলম মনা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এদিকে গণসমাবেশ মঞ্চে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য ফাঁকা চেয়ার রাখা হয়েছে। ময়মনসিংহের গণসমাবেশেও এমনটা করা হয়েছিল।





আরো পড়ুন