• বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন

সাংবাদিক লাঞ্চিত ও প্রাননাশের হুমকি, ফাঁস বিশ্বনাথের কাউন্সিল পার্থী আব্দুস সালামের কুকীর্তি

/ ৮৮ বার পঠিত
আপডেট: শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২২

সিলেট প্রতিনিধি :-

আদালত বিষয়ক জাতীয় দৈনিক স্বাধীন দেশ ও অপরাধ অনুসন্ধানী বিষয়ক জাতীয় দৈনিক প্রাইভেট ডিটেকটিভ পত্রিকার সিলেট প্রতিনিধি, সাংবাদিক মোঃ আক্তার হোসেন কে লাঞ্চিত নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় আসন্ন বিশ্বনাথ পৌরসভার নির্বাচনের ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল পদপ্রার্থী, বিশিষ্ট মাদক সেবী, নারী বাজ দেহ লোভী, আব্দুস সালাম৷

উক্ত ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিক মোঃ আক্তার হোসেন এর কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি বলেন:

গত ১২ / ১০ / ২০২২ ইং রাত অনুমানিক ৯.৩০ মিনিটের সময় আমার পেশাগত দায়ীত্ব পালন শেষে বিশ্বনাথ নতুন বাজার এর আবুল কালাম হোল্ডা সার্ভিসিং এ আমার মোটর সাইকেলের এলইডি লাইট লাগানোর সময় দোকানের মালিক আবুল কালামের সাথে আলাপ আলোচনার সময় তিনির জানান বিশ্বনাথের কোন এক জায়গায় আজ নাকি গানের অনুষ্ঠান আছে স্বভাবত আমিও আমার সাথে থাকা এক ভাই মোঃ আবুল কালাম সহ , সেখানে যাওয়ার ইচ্ছা পোষন করিলে যাবো বলে সিদ্ধান্ত হয় ।

কিছুক্ষণ পরে উল্লেখিত আব্দুস সালাম সেখানে উপস্থিত হয়ে আব্দুল খালিক মার্কেটে উনার একটি অফিস উদ্বোধন করার জন্য সেখানে যাওয়ার আমন্ত্রণ করেন । মার্কেটের ভিতরে যাওয়া মাত্র আমার সাথে থাকা মাইক্রোফোন দিয়ে ছবি উঠাতে চাইলে আমি বলি আপনি কি আমার পত্রিকা বা চ্যানেলে সংবাদ প্রচার করতে চান ।

তখন তিনি বলেন আমার কাছে কোন সাংবাদিকের টাইম নাই তুমি তোমার মাইক্রোফোন দেও আমি ছবি উঠাবো । আমি বলি এটা আমাদের নিয়মে নেই । এ কথা বলা মাত্রই আব্দুস সালাম আমার সাথে থাকা বোম মাইক্রোফন নিয়ে টানা / টানি শুরু করেন । এক পর্যায়ে তিনি উসৃঙ্খল ও অস্বাভাবিক আচরণ করেন । মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে আমার মুখে ঢুকিয়ে জুরে গুতা মেরে বলেন সাংবাদিকের মা বোন রে আমি……. ( অশ্লিল ভাষা ) এবং আমার ঘাড়ে ধাক্কা দিয়ে আমার ব্যাগের মধ্যে রক্ষিত ক্যামেরা ফেলে দেন । ফলে ক্যামেরার লেন্স ও লোকিং ভেঙ্গে যায়, এর পর তিনি অশ্লিল ভাষায় আমাকে ও পুরো সাংবাদিকদের গোষ্ঠি উদ্ধার করেন এবং প্রাণে মেরে লাশ গুম করে ফেলে দিবেন মর্মে হুমকি দেন ।

আমি প্রাণ ভয়ে আমার সংঙ্গিয় ভাই আবুল কালামকে নিয়ে সেখান থেকে চলে আসি এবং মোবাইল ফোনে পুরো ঘটনা যানাই আমার সিনিয়র সংবাদিক মহোদয় ও বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে, এবং পরের দিন ১৩/১০ ২০২২ইং তারিখে বিশ্বনাথ থানায় থানায় লিখিতো থানায় অভিযোগ দায়ের করি৷

সরেজমিনে প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্যের বৃত্তিতে জানাযায় জানাইয়া গ্রামের মৃত্যু আব্দুল খালিকের ছেলে অভিযোক্ত আব্দুস সালাম নিজেকে একজন সমাজসেবক দাবী করেন কিন্তু আসলে তিনি একজন পেশাদার মাদক ও নারী সেবক৷

জনস্রোতি আছে বৃশ্বনাথ এলাকায় বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষের সাথে অযথা মারামারি বেঝাল এবং অশ্লিল ভাষায় গালিগালিতে তিনি নাকি উস্তাদ, তাছারা এই সালামের যন্ত্রণায় তার পরিবারের লোকজন অসজ্য হয়ে থাকে ৬ মাসের সেইফ কাষ্টরিতে রেখেছিলেন জেলখানায়৷

তাহার অত্যাচারে তার নিজের গ্রাম ও আশ-পাশের গ্রামের নিরীহ গরিব মানুষ অতিষ্ঠ . ।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানাইয় গ্রামের একজন ভুক্তভোগী জানান… “তাইনর বাফ ছাছা কুব ভালা মানুষ আছলা, সালাম ভাইর ভাই বইনাইন ও ভালা মানুষ, কিন্তু তাইনর খারনে ফুরা গুষ্টির মানসম্মান নষ্টওর আমরার লগেও খুব খারাফ ব্যাবহার খরছইন কিন্তু আমরা সজ্য করিলিছি আমরা গরিব মানুষ, এখন আবার তাইন কমিশনারিত খারা ওইছইন৷

এ ব্যাপারে জানতে আব্দুস সালামের মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান সে দিন রাত্রে সাংবাদিকের সাথে এমন আচরনের জন্য আমি দুঃখিত আসলে আমার মাথায় তখন ঠিক মতো কাজ করছিলনা

কালাম হোন্ডা সার্ভিস দোকানের মালিক কালাম এর সাথে মুঠোফোনে কথা বলে অভিযোগ বিষয় জানালে তিনি বলেন উপরে উল্লেখ অভিযোগ সত্য ও সঠিক তখন আরো ও অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন৷ এ বিষয়ে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ গাজি আতাউর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখতেছি সত্যতা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷


আরো পড়ুন