• শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন




পুলিশ স্বামীর নির্যাতনের বিচার দাবীতে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

/ ২২ বার পঠিত
আপডেট: রবিবার, ২ অক্টোবর, ২০২২
পুলিশ স্বামীর নির্যাতনের বিচার দাবীতে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

পাবনা প্রতিনিধিঃ
পাবনার সাঁথিয়ায় যৌতুক লোভী, নেশাগ্রস্ত, চরিত্রহীন পুলিশ স্বামী রাকিবুল ইসলামের নির্যাতনের সুবিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্ত্রী শামচুন্নাহার। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সাঁথিয়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবী রাখেন। রকিবুল সাঁথিয়া উপজেলাধীন রুদ্রগাতি গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। ২০১৫ সালে সে বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশে যোগদান করে এবং বর্তমানে সে নরায়ণগঞ্জ কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত। তার কনস্টেবল নম্বর- ৬১৬। স্ত্রী শামসুন্নাহার সঁথিয়া উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মৃত -আঃ হামিদের মেয়ে।


শামচুন্নাহার তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০১৮ সালের ২১ জানুয়ারী রেজিষ্ট্রিকাবিনে ৩ লক্ষ টাকা দেন মোহরে শরিয়াহ অনুযায়ী আমাদের বিবহ হয়। সুখে শান্তিতে আমরা ঘর সংসার করতে থাকি। আমার গর্ভে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। এর পর থেকেই আমার স্বামী টিকটক করার নাম করে এক অজ্ঞাতনামা একাধিক মহিলার সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। এসবের প্রতিবাদ করলে স্বামী, শশুর-শাশুরি মিলে আমাকে নির্যাতন করে আমার নিকট থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করেন। আমি যৌতুকের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় জোরপূর্বক আমাকে তালক নামায় স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করেন।

এক পর্যায়ে আমি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে আমার আত্মীয়স্বজন থানা পুলিশের সহযোগিতায় গত ২০/১১/২০১১ইং তারিখে আমার স্বামীর বাড়ী থেকে উদ্ধার করে গুরুত্বর শারিরীক জখম অবস্থায় সাঁথিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে-এ ভর্তি করেন।২০জুলাই ২০২২ইং তারিখে জেলা পাবনার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেটের আদালত থেকে আমার স্বামী আমার সাথে বিনা যৌতুকে সংসার করবে মর্মে আদালতে প্রতিশ্রæতি দিয়ে আদালত থেকে আমাকে তাহার বাড়িতে নিয়ে যায়।

বাড়িতে নিয়েই আবারও স্বামী, শাশুড়ী মিলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকে।
শারীরিক নির্যাতন করলে আমি গুরুত্বর অসুস্থ্য হয়ে পড়লে গত ২৩ জুল্ইা সাঁথিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় স্বজনেরা সাঁথিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ভর্তি করেন। সেখানে ৩দিন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে গত ২৬ জুলাই ২০১২ইং তারিখে সাঁথিয়া থানায় সাধারণ ডাইরী করি যাহার নং- ১৬৬৩।

পরবর্তীতে আমি আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করি। যার মামলা নং সিয়ার-২০৩/২০২২ তারিখ ৭ আগষ্ট ২০২২। সেই থেকে অদ্যাবধি, সে আমার এবং মেয়ের কোন প্রকার সম্পর্ক ও খোঁজ খবর রাখেন না। দিন দিন তার পরকিয়ার মাত্রা বাড়তে থাকে। তিনি বলেন, রাকিবুলের ওয়ারেন্ট হওয়া সত্তে¡ও কিভাবে বহাল তব্যিয়েতে চাকুরি করছে ? আর আমি ৪ বছরের শিশু বাচ্চা নিয়ে বিচারের দাবীতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। তাই আমি একজন অসহায় বিধবা মায়ের সন্তান হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশ পুলিশ প্রধান (আইজিপি) মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।





আরো পড়ুন