• রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
171764904_843966756543169_3638091190458102178_n

সৈন্য মোতায়েনের ঘোষণা পুতিনের

/ ৮ বার পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
সৈন্য মোতায়েনের ঘোষণা পুতিনের

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বুধবার আংশিক সৈন্য সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছেন। টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে এই ঘোষণা দেন তিনি। এতে করে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য আরও সেনা মোতায়েন করতে পারবে রাশিয়া।

পুতিন এমন এক সময়ে এই ঘোষণা দিলেন যখন ইউক্রেনের পাল্টা আক্রমণের বিরুদ্ধে লড়ছে রাশিয়ান বাহিনী।

একইসঙ্গে পশ্চিমা অস্ত্র দিয়ে চালানো পাল্টা এসব হামলার মাধ্যমে রাশিয়ার কিছু দখলকৃত অঞ্চল পুনরুদ্ধার করার দাবি করছে ইউক্রেন। বুধবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট পুতিন রাশিয়ার ২০ লাখ জনবল সম্পন্ন সামরিক রিজার্ভের আংশিক সমাবেশের ঘোষণা দেন। রাশিয়া এবং নিজের অঞ্চলগুলোকে রক্ষা করার জন্য এই ঘোষণা দেন তিনি। যে সকল নাগরিকরা বর্তমানে রিজার্ভে আছেন শুধুমাত্র তারা নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন। সর্বোপরি, যারা সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করেছেন এবং নির্দিষ্ট সামরিক বিশেষত্ব ও প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের এ যুদ্ধে নিয়োগ দেওয়া হবে। ’

এসময় পুতিন দাবি করেন, পশ্চিমারা রাশিয়াকে ধ্বংস করতে চায় এবং ইউক্রেনে শান্তি চায় না। মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য, এর সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে আমি আংশিক সমাবেশের বিষয়ে রুশ সামরিক বাহিনীর জেনারেল স্টাফের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করি। ’

পুতিন পুনর্ব্যক্ত করেন যে, তার লক্ষ্য পূর্ব ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চলকে ‘মুক্ত করা’ এবং এই অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ ইউক্রেনের ‘দাস’ হিসাবে আর ফিরে যেতে চায় না।

পুতিন পশ্চিমাদের পারমাণবিক অস্ত্রের  আরও বলেন, পশ্চিমারা পারমাণবিক ব্ল্যাকমেইলে জড়িত। ন্যাটো রাষ্ট্রগুলি ‘‘রাশিয়ার বিরুদ্ধে গণবিধ্বংসী পারমাণবিক অস্ত্র’’ ব্যবহারের কথা বলে থাকেন। যারা নিজেদের রাশিয়া সম্পর্কে এই ধরনের বক্তব্যের অনুমতি দেয়, আমি তাদেরকে মনে করিয়ে দিতে চাই, আমাদের দেশেও ধ্বংসের বিভিন্ন উপায় রয়েছে। রাশিয়া অবশ্যই এসব নিষ্পত্তিতে সমস্ত উপায় ব্যবহার করবে। ’

রাশিয়া ইতোমধ্যেই ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় লুহানস্ক এবং দোনেতস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বিবেচনা করে। ২০১৪ সালে মস্কো আংশিকভাবে এই অঞ্চলের কিছু অংশ দখল করে নেয়। তবে ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ান বাহিনীর হাতে থাকা ইউক্রেনের সকল অংশকেই অবৈধভাবে দখল করা বলে মনে করে।

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযানের লক্ষ্য অপরিবর্তিত রয়েছে। এলপিআর (লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক) সম্পূর্ণ মুক্ত, ডিপিআর (দোনেতস্ক পিপলস রিপাবলিক) আংশিকভাবে মুক্ত করা হয়েছে।


আরো পড়ুন