• শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন




নোয়াখালীতে দু’মামলায় বিএনপির ১৩শ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ১৯

/ ২৯ বার পঠিত
আপডেট: বুধবার, ৩১ আগস্ট, ২০২২
IMG-20220830-WA0018

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় আওয়ামীলীগ ও বিএনপির মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি মামলায় ১৩০০ নেতাকর্মির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে দুই মামলায় পুলিশ বিএনপির ১৯ নেতাকর্মিকে গ্রেফতার দেখিয়েছে। গত রাতে কাজী মফিজের অফিস পুড়ে দেওয়া অভিযোগ করেন কাজী মফিজ। এছাড়া আজ দুপুরে বিএনপির আরো দুজন আটক সেনবাগ থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর আগে, গতকাল সোমবার (২৯ আগস্ট) রাতে সেনবাগ থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি ও ডুমুরুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য সাখাওয়াত হোসেন বাদী অপর মামলাটি দায়ের করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও পৌরসভার কাউন্সিলর মহিন উদ্দিন (৪২), পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব মিয়া মোহাম্মদ ওয়ালিদ বিন হায়দার (২৫), বিএনপির সাবেক জেলা কমিটির সদস্য জাফর খান (৬০), ছাত্রদলের কর্মী হাফিজুর রশিদ (২২), শহিদুল ইসলাম (১৯), মো. আকাশ (১৯), ইমরান হোসেন (১৯), মো. মুরাদ (২৫), মো. হৃদয় (২২), হুমায়ুন কবির (৩০), স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী মো. ইস্রাফিল (৩০), জেলা বিএনপির কর্মী মোহাম্মদ আলী (৫২), ইমাম হোসেন (৪০) ও আজিজুল হক (৫৪)।

গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের গাজীরহাট মোড় এলাকায় বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মিদের সঙ্গে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মিদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে রাতে থানায় একটি মামলা করেছে। মামলায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মফিজুর রহমানসহ ২২৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা হিসেবে আরও ৯০০ থেকে ১০০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

অপরদিকে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মিদের ওপর হামলাও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় ডমুরুয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করেছেন। এ মামলায়ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মফিজুর রহমানসহ ২২৩ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া এ মামলায় আরও ৯০০ থেকে ১০০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে দেখানো হয়েছে।

মামলার বিষয় নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নিবার্হী কমিটির সদস্য কাজাী মফিজুর রহমান জানান, এ মামলা মিথ্যাা রাজনীতিক উদ্দেশ্যেপ্রনীতি, আমি পুলিশকে সহযোগিতা করছি। এ পরে গেল রাতে আমরা অফিসে আগুনে পুড়ে দিয়েছে। তিনি বলেন এ ঘটনা থানা দেওয়া হবে।

সেনবাগ থানার কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী জানান আগুনে একটি ঘর পুড়া যাওয়া শুনছে সেনবাগ ফায়ার সার্ভিস দল ঘটনার স্থলে গিয়ে আগুনে নিয়ন্ত্রেন করেন।
দুই মামলায় ৪৫০জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৪০০-৪৫০ জনকে। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত দুটি মামলায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১৯ নেতা-কর্মিকে গ্রেফতার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।





আরো পড়ুন