• মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
171764904_843966756543169_3638091190458102178_n

ইসরাইলের কারাগারে ফিলিস্তিনি যুবকের অনশন

/ ২১ বার পঠিত
আপডেট: সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০২২
1661745288-isrial-parison_news24

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

মুক্তির দাবিতে ইসরাইলের কারাগারে ছয় মাস ধরে অনশন পালন করছেন খলিল আউআউদা নামের এক ফিলিস্তিনি যুবক। চলতি বছরের মার্চ থেকে তিনি অনশন শুরু করেন। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কোনো অভিযোগ ছাড়াই ২০২১ সালের ডিসেম্বরে খলিলকে আটক করা হয়।

তবে কোনো অভিযোগপত্র বা বিচার ছাড়াই বন্দি করে রাখা হয়েছে তাঁকে।
দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইল এভাবে শত শত ফিলিস্তিনি বন্দিকে বিনা বিচারে ও বিনা অভিযোগে আটকে রেখেছে। এসব বন্দিদের বিরুদ্ধে কোনো রায় কিংবা শাস্তি ঘোষণা করা হয় না। বর্তমানে ৪ হাজার ৪৫০ ফিলিস্তিনিকে কারাগারে আটকে রেখেছে ইসরাইল।

অনশনকে সারা বিশ্বে কারাবন্দিদের অহিংস প্রতিবাদ হিসেবে দেখা হয়। ইসরাইলের কারাগারে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিরাও প্রায়ই অনশন-ধর্মঘট করেন। উদ্দেশ্য মুক্তি নিশ্চিত করা।

খলিল জানান, তিনি ঠিকমতো কথা বলতে পারছেন না। আল্লাহর রহমত, ধৈর্য ও দৃঢ়তা তাঁকে ধর্মঘট চালিয়ে নিতে সাহায্য করছে।

টানা ছয় মাস ধরে অনশন করায় খলিলের স্বাস্থ্য এখন খুবই নাজুক। অনশনের কারণে প্রতিনিয়তই স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তাঁর আইনজীবী। খলিলের আইনজীবী জানান, তাঁর ওজন ৪০ কেজিতে নেমে এসেছে।

২০০০ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইসরাইলের কারাগারে মোট ১২ বছর কাটিয়েছেন খলিল। এর মধ্যে পাঁচ বছরই অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ডিটেনশনে। গত বছরের ডিসেম্বরে আটক হওয়ার পর খলিল প্রথম পর্যায়ে ১১১ দিন অনশন-ধর্মঘট পালন করেন। তখন ইসরাইলের পক্ষ থেকে তাঁকে মুক্তির আশ্বাস দেয়া হয়েছিল। সেই আশ্বাসের ভিত্তিতে তিনি অনশন ভাঙেন। কিন্তু ইসরাইলের কর্মকর্তারা কথা রাখেননি। আর তাই তিনি আবারও অনশন শুরু করেন।


আরো পড়ুন