• রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন
171764904_843966756543169_3638091190458102178_n

ঢাবির চিঠি – সামিয়ার কাছে ১১ লাখ ৪১ হাজার টাকা দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৫৯ বার পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০২২
সামিয়া_সাওংবাদিক_SONGBAD_TV

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানের কাছে পাওনা ১১ লাখ ৪১ হাজার ২১৬ টাকা দাবি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসন।

গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এমন দাবি করা হয়েছে। তবে এ চিঠিকে বানোয়াট আখ্যা দিয়ে হেনস্তা করতে এমন চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন সামিয়া রহমান। টাকা পরিশোধ না করলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তিনি বলেন, আমাকে হেনস্তা করার জন্য, প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন তড়িঘড়ি করে এমন চিঠি বানিয়েছে। এর কোনো ভিত্তি নেই। ছুটির কাগজপত্র আমার কাছে আছে, ছুটিতে থাকলে কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয় টাকা পাবে। আমি আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলছি। মামলা করব, আর এটাতেও বিশ্ববিদ্যালয় হারবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, সিন্ডিকেটের ২৬-০৪-২০২২ তারিখের সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে আপনাকে জানানো যাচ্ছে যে, আপনার প্রভিডেন্ট ফান্ডে সুদসহ জমাকৃত টাকার পরিমাণ ১৬,৫৮,২১৬ টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকট আপনার দেনা ১১,৪১,৬০১ টাকা পরিশোধ করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করা যাচ্ছে। আপনার কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা টাকা পরিশোধ না করলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সামিয়া রহমান ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পান। পরে তিনি সহকারী অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান। তবে গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির অভিযোগে ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় তাকে এক ধাপ পদাবনতি দিয়ে সহকারী অধ্যাপক করা হয়। পরে ওই বছরের ৩১ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সামিয়া রহমান।

এর আগে গত ৪ আগস্ট সামিয়া রহমানকে পদাবনতির সিন্ডিকেটের নেওয়া (প্রশাসনিক) সিদ্ধান্ত অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে সব ধরনের বিভাগীয় সুযোগ সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এ বিষয়ে সামিয়া রহমান বলেন, আমার কাছে বিশ্ববিদ্যালয় কোনো টাকা পায় না বরং অর্জিত ছুটিতে থাকায় আমিই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে টাকা পাই। মামলায় হেরে আমাকে টাকা বুঝিয়ে না দিতে এবং প্রতিশোধ নিতে এই চিঠি দেওয়া হয়েছে। আর এই চিঠিতে ৩ আগস্টের স্বাক্ষর দেওয়া আছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গতকাল আমাকে মেইল পাঠানো হয়েছে। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে এটা একটা বানোয়াট চিঠি।


আরো পড়ুন