• রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৭:১২ অপরাহ্ন
171764904_843966756543169_3638091190458102178_n

ফি‌লিং স্টেশনগু‌লো‌তে উপ‌চেপড়া ভিড়, বন্ধ অধিকাংশ ফি‌লিং স্টেশন, পুলিশ মাঠে 

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬০ বার পঠিত
আপডেট: শনিবার, ৬ আগস্ট, ২০২২
songbad_tv_dhaka

বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়ার স‌ঙ্গে স‌ঙ্গে রাজধানীর ফি‌লিং স্টেশনগু‌লো‌তে উপ‌চে পড়া ভিড় জ‌মেছে সাধারণ মানু‌ষের। কিন্তু বে‌শিরভাগ ফি‌লিং স্টেশন তেল দিয়া বন্ধ ক‌রে দেয়। এ‌ নি‌য়ে ক্ষোভ জানান, সাধারণ মানুষ। প‌রি‌স্থি‌তি নিয়ন্ত্রণে পু‌লিশ মোতায়েন করা হয়।

বলা হচ্ছে বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্ত শুক্রবার ( ৫ আগস্ট ) রাত ১২টা থেকেই কার্যকর হবে। এ বিষয়ে এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি হওয়ার কারণে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন “বিপিসি)” ইস্টার্ন রিফাইনানি লিমিটেড ( ইআরএল ) এ পরিশোধিত এবং আমদানি/ক্রয়কৃত ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের মূল্য সমন্বয় করে ভোক্তা পর্যায়ে পুণঃনির্ধারণ করা হয়েছে ।

এখন এক লিটার ডিজেল ও কেরোসিন কিনতে ১১৪ টাকা লাগবে। এক লিটার অকটেনের জন্য দিতে হবে ১৩৫ টাকা। আর প্রতি লিটার পেট্রলের দাম হবে ১৩০ টাকা। শুক্রবার বিশ্ববাজারে দাম বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ছাড়াও গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

যেখানে বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি বিবেচনায় পার্শ্ববর্তী দেশে ভারতও সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। দেশটিতে গত ২২ মে ডিজেলের মূল্য বাড়িয়ে প্রতি লিটার ৯২.৭৬ রুপি এবং পেট্রোল লিটারপ্রতি ১০৬.০৩ রুপি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই মূল্য বাংলাদেশি টাকায় যথাক্রমে ১১৪.০৯ টাকা ও ১৩০.৪২ টাকা (১ রুপি = গড় ১.২৩ টাকা)। অর্থাৎ বাংলাদেশে কলকাতার তুলনায় ডিজেলের মূল্য লিটারপ্রতি ৩৪.০৯ এবং পেট্রোল লিটারপ্রতি ৪৪.৪২ টাকা কমে বিক্রয় হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে মূল্য কম থাকায় তেল পাচার হওয়ার আশঙ্কাও ছিল। এরই মাঝে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম পুনঃনির্ধারণ করা হলো।

বাংলাদেশ পেট্টোলিয়াম করপোরেশন বিগত ছয় মাসে (ফেব্রুয়ারি ও জুলাই ২০২২) জ্বালানি তেল বিক্রয়ে সকল পণ্য ৮০১৪ দশমিক ৫১ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক তেলের বাজার পরিস্থিতির কারণে বিপিসির আমদানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখাতে যৌক্তিক মূল্য সমন্বয় অপরিহার্য হয়ে পড়েছে ।


আরো পড়ুন