• শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কলম যুদ্ধে নামছে দৈনিক “দেশবাংলা”র এক ঝাঁক পেশাদার সংবাদকর্মী একতা মানবিক সোসাইটির পক্ষ থেকে সিলেট বাসীর মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ সাপাহারে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ পাঁচবিবি পৌর নির্বাচনের বাছাই পর্বে প্রার্থীর সমর্থককে জোরপূর্বক উঠিয়ে নেওয়ায় প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সাঁথিয়া ভূমি অফিসের ময়লার ভাগাড়ে প্রধানমন্ত্রীর ছবি মির্জাগঞ্জে মাহিন্দ্রা ট্রাক্টর উল্টে চালক নিহত ময়মনসিংহ পিবিআই এর অভিযানে অটোরিক্সাসহ চোরচক্র গ্রেফতার সাপাহারে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ নড়াইলে পিকআপের ধাক্কায় ইজিবাইক যাত্রীর মৃত্যু; পিকআপসহ চালক আটক করেছে পুলিশ নড়াইলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে খুন, আহত ৫; অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

ময়মনসিংহ নগরে ৮নং ওয়ার্ডে অবৈধ মদ নিয়ন্ত্রণকারীরা মদ বিক্রির চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে

বদরুল আমীন, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি / ৪৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ মে, ২০২২

ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ প্রদান করেছিলেন। সেই আলোকে জেলার সদর থানাসহ সকল থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ মাদক নির্মূলে কাজ করে সফলতা অর্জন করছে। ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ কামাল আকন্দ (পিপিএম-বার) একজন চৌকস অফিসার। তিনিও মাদকের বিষয়ে খুবই শক্ত অবস্থানে। তিনি ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থায় অফিসার ইনচার্জ থাকাকালে রেকর্ড পরিমানে মাদক উদ্ধার করে জেলায় সাড়া ফেলেছেন।

বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ কোতোয়লী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ। মাদকের বিষয়ে তিনি কাওকে ছাড় দেননি। শাহ কামাল আকন্দের তদারকিতে বিপুল পরিমানে ইয়াবা ট্যাবলেট, হেরোইন, গাঁজা, ইনজেকসন ও হাজার হাজার লিটার চুলাই মদ উদ্ধার হয়েছে এবং গ্রেফতার হয়েছে অনেক মাদক ব্যবসায়ী। সম্প্রতি ময়মনসিংহের বেশ কিছু পত্রিকাসহ ঢাকা’র পত্রিকায় ময়মনসিংহ নগরের ৮নং ওয়ার্ডে রমেশ সেন রোডে অবস্থিত নিষিদ্ধ পল্লীতে অবৈধ ভাবে বিক্রী করার জন্য বাংলা মদ সংগ্রহ করে বিক্রি, চুলাই মদ বিক্রি ও মাতালদের উৎপাত নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়।

অবৈধ চুলাই মদ বিক্রি ও মাতালদের উৎপাত নিয়ে খবর প্রকাশিত হওয়ায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ ও ১নং ফাঁড়ি পুলিশ নড়েচড়ে বসে এবং অবৈধ মদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেয়। পুলিশ শক্ত অবস্থান নেওয়ায় অবৈধ মদ ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা গুটিয়ে ফেলে। এতে কোতোয়ালী পুলিশ ও ১নং ফাঁড়ি পুলিশের ভাবমুর্তি উজ্জল হয়। স্থানীয় একটি পত্রিকার কথিত সাংবাদিক দেশীয় বাংলা মদ নিয়ে তার পত্রিকায় খবর প্রকাশ করেছেন। সরকার বাংলা মদ থেকে রাজস্ব হারাচ্ছে, বাংলা মদ খেলে সরকার বিপুল পরিমানে রাজস্ব আদায় করবে ইত্যাদি ইত্যাদি। জানা যায়, তিনি মদখোড়, নেশাগ্রস্থ ও মাতাল এবং দিনের বেলায়ও মদ খেয়ে নিষিদ্ধ পল্লীর গেইটের সামনে মাতলামি করেন। পুলিশ সবই জানে। যদিওবা তার মদ খাওয়ার পারমিট আছে। কিন্ত মাতলামি করার পারমিট নেই। সরকার দেশীয় বাংলা মদ থেকে রাজস্ব আদায় করবে ভাল কথা। তা হবে পারমিট দিয়ে বৈধ পথে। কালোবাজার কিংবা অবৈধ পথে নয়।

তাহলে কথিত সাংবাদিক কালোবাজার কিংবা অবৈধ পথে মদ বিক্রি হোক, তিনি কি তা বলতে চান? নাকি তিনি কালোবাজারে অবৈধ মদ বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করেন? অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, কথিত এই সাংবাদিক সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নিষিদ্ধ পল্লীর গেইটে বসে অবৈধ পথে ফরেন লিকার ও বাংলা মদ বিক্রি করেন! আপনি যদি সাংবাদিক হন তাহলে প্রতিনিয়ত সেখানে বসে থাকার কারণ কি? স্থানীয় সাপ্তাহিক পত্রিকায় কথিত সাংবাদিক লিখেছেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ধুর্মজালে ফালানোই কি মূল উদ্দেশ্য? কথিত সাংবাদিকের কাছে প্রশ্ন কোতোয়ালী থানার পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও কোতোয়ালীর ১নং ফাঁড়ির পুলিশ হাজার-হাজার লিটার অবৈধ চুলাই মদ উদ্ধারসহ অবৈধ মদ ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করেছে। সেই উদ্ধার হওয়া হাজার-হাজার লিটার চুলাই মদ কি ভুয়া ছিল? পুলিশ প্রশাসনের উদ্ধার হওয়া চুলাই মদকে সমর্থন না করায় সেটা কি রাষ্ট্রদ্রোহী কাজ নয় কি? আর উদ্ধার হওয়া হাজার-হাজার লিটার চুলাই মদকে চুলাই মদ হিসাবে মেনে না নেওয়ায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে নয় কি? কথিত সাংবাদিকের পত্রিকায় এর আগে একই স্থানের অবৈধ চুলাই মদ উদ্ধার নিয়ে অনেক খবর প্রকাশিত হয়েছে।

তার পত্রিকায় সেই অবৈধ চুলাই মদ উদ্ধারের খবর কি ভুয়া ছিল? তার অপছন্দের লোক পুলিশের হাতে অবৈধ চুলাই মদসহ ধরা খেলে তিনি চুলাই মদ বলবেন, যদি পছন্দের লোক চুলাই মদসহ ধরা খেলে বাংলা মদ বলে চালিয়ে দিবেন, এটা অপসাংবাদিকতা নয় কি? উল্লেখ্য, ময়মনসিংহ নগরের ৮নং ওয়ার্ডে রমেশ সেন রোডে অবস্থিত নিষিদ্ধ পল্লীতে চুলাই মদ ও বাংলা মদ কালোবাজার কিংবা অবৈধ পথে মদ বিক্রি নিয়ে স্থানীয় পত্রিকাসহ ঢাকা’র পত্রিকায় ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রচুর লেখালেখি হয়েছে।

এর ফলে গোয়েন্দা পুলিশ, কোতোয়ালী পুলিশ ও ১নং ফাঁড়ির পুলিশ হাজার-হাজার লিটার অবৈধ চুলাই মদসহ অনেক মদ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে মামলা দিয়েছে। সম্প্রতি ময়মনসিংহের বেশ কিছু পত্রিকাসহ ঢাকা’র পত্রিকায় নগরের ৮নং ওয়ার্ডে অবৈধ চুলাই মদ বিক্রি নিয়ে খবর প্রকাশিত হওয়ায় পুলিশ শক্ত অবস্থায় নেয়। এর ফলে অবৈধ মদ ব্যবসায়ীরা অবৈধ মদ বিক্রি বন্ধ করে দেয়। কিন্তু অবৈধ মদ নিয়ন্ত্রণকারী লাভলী, রুমা, আনু ও ভাবি শিল্পী গোপনে অল্প করে এখনোও বিক্রি করছে।

৮নং ওয়ার্ডবাসী জানান, থানা পুলিশ ও ১নং ফাঁড়ি পুলিশ অবৈধ মদ বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান চালালে অল্প করে বিক্রিটাও বন্ধ হয়ে যাবে। এদিকে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, অবৈধ মদ নিয়ন্ত্রণকারী লাভলী, রুমা, আনু ও ভাবি শিল্পী আবারো অবৈধ চুলাই মদ ও কালোবাজার কিংবা অবৈধ পথে বাংলা মদ বিক্রি আজ-কালের মধ্যে চালু করবে নিষিদ্ধ পল্লীতে প্রচার হচ্ছে। এছাড়া অবৈধ মদ বিক্রি চালু করার উদ্দেশ্যে অবৈধ মদ নিয়ন্ত্রণকারী লাভলী, রুমা, আনু ও ভাবি শিল্পী বিভিন্ন দপ্তরে বারবার ও নেতাদের কাছে ধন্যা দিয়েছে। তারা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলছে আজ-কালের মধ্যে মদ চালু করবো দেখি কে আটকায়! তাদের চ্যালেঞ্জ! এখন শুধু নগরবাসীর দেখার অপেক্ষায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category