• শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিএমএসএফ’র কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়ক শাহ্ আলম শাহী বিএমএসএফ হবে প্রকৃতই সাংবাদিকবান্ধব সংগঠনে – কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ লক্ষ্মীপুর পৌরসভা নির্বাচন পরিবর্তনের অঙ্গীকারে মাসুম ভূঁইয়ার এবার এগিয়ে যাওয়ার পালা মা-মেয়েকে ধর্ষণ মামলা: তিনজনকে যাবজ্জীবন কুমিল্লায় কাউন্সিলর সোহেল হত্যা মামলার আসামী সাব্বির ও সাজন র‍্যাবের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত, গুলিবিদ্ধ হয়ে ৩ পুলিশ আহত ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবির গুলিতে নিহত ২ চোখে মরিচের গুঁড়ো ঢুকিয়ে পেটানো স্কুলছাত্রের মৃত্যু পাঁচ রাউন্ড গুলিসহ আটক ৩ রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী গ্রেফতার পীরগঞ্জে নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত বেড়ে ৪

মৃত সন্তান প্রসবের একদিন পর মৃত্যু হলো করোনা আক্রান্ত মায়েরও

অনলাইন ডেস্ক / ৪৫ Time View
Update : শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১

সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা রহিমা খাতুনের (৩৬) এক সপ্তাহ আগে করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তিনি কুষ্টিয়া করোনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মৃত সন্তান প্রসব করেন তিনি। এরপর আজ শুক্রবার বেলা একটার দিকে মারা যান রহিমা খাতুন। কুষ্টিয়া করোনা হাসপাতালে ঘটে এ মৃত্যুর ঘটনা।

রহিমা খাতুনের স্বামী আশরাফুল আলম মৌসুমী ব্যবসায়ী। রহিমা মিরপুর উপজেলার হালসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।

রহিমার বোন হাজেরা খাতুন বলেন, ‘গত শুক্রবার আমার বোনটা ভালো ছিল, খাবার খেয়েছিল। আজ চলে গেল, সঙ্গে বাচ্চাটাও। কিছুই রইল না আর।’

বোনের পাশে থাকা ভাই আশরাফুল আলম বলেন, ‘অনেক চেষ্টা করলাম, কাউকে ধরে রাখতে পারলাম না। বোনজামাই আশরাফুল তাঁর সন্তানকে দাফন করতে গিয়েছিলেন। এরপর বোনের মৃত্যুর খবর শুনে তিনিও শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন।’

রহিমার স্বামী আশরাফুল আলম জানিয়েছিলেন, ২০ জুলাই জ্বরসহ করোনার কিছু উপসর্গ দেখা দেয় রহিমার শরীরে। ২৩ জুলাই তাঁকে করোনা হাসপাতালে আনা হয়। নমুনা দেওয়ার পর পজিটিভ শনাক্ত হলে তাঁকে দ্রুত ওয়ার্ডে ভর্তি করে অক্সিজেন দেওয়া হয়। বেশির ভাগ সময়ই তাঁকে অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে রাখতে হয়।

চিকিৎসক মো. আবদুল্লাহ জানান, রাত ১০টার দিকে হঠাৎ রহিমা খাতুন পেটে ব্যথা অনুভব করেন। সঙ্গে সঙ্গে গাইনি চিকিৎসক সুস্মিতা পাল ও মনোরমা সরকারকে জানানো হয়। তাঁরা দ্রুত হাসপাতালে চলে আসেন। এরই মধ্যে রহিমার ব্যথা তীব্র হলে তাঁকে অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। তাৎক্ষণিকভাবে দক্ষ নার্স ও আয়ারা ওয়ার্ডের ভেতর কাপড় দিয়ে ঘিরে তাঁর প্রসব করানোর চেষ্টা করেন। কয়েক মিনিটের মধ্যে পুত্রসন্তান প্রসব করেন রহিমা। তবে সন্তানটি মৃত ছিল।

কুষ্টিয়া করোনা হাসপাতালের পেয়িং ওয়ার্ডে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাসমিনা তাবাসসুম বলেন, প্রসূতির শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা শুক্রবার সকালে ৫৫ থেকে ৬০–এ ওঠানামা করছিল। কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ও হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলায় অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল। তাঁকে বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে।

হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ আক্রামুজ্জামান মিন্টু বলেন, করোনায় আক্রান্ত অন্তঃসত্ত্বাদের চিকিৎসা দেওয়া একটু কঠিন। রহিমা ৩২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। অক্সিজেনসহ তাঁর বিভিন্ন ধরনের ওষুধ চলছিল। এতে সাধারণত বাচ্চাকে বাঁচানো সম্ভব হয় না। তারপরও চেষ্টা চালানো হয়েছিল। এ ছাড়া মায়ের উচ্চরক্তচাপ ছিল।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category