• বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কেরাণীগঞ্জে একটি এ্যাম্বুলেন্স মাদক প্রচার কালে ৩১ কেজি গাঁজাসহ আটক- ২ ব্যবসায়ীকে আটক করেছেন র‍্যাব!  বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া ইউনিয়ন ও পৌরসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে: কাদের এক দিন নয়, তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস হবে সপ্তাহে দুই দিন ডা. জাফরুল্লাহর রিট আবেদন শুনতে অপারগতা হাইকোর্টের প্রথম আলোর বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের রুল জারি ভুল চিকিৎসায় পুরুষত্বহীন হতে হলো যুবককে ! আট দিন বিঘ্ন ঘটতে পারে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সম্প্রচারে দিল্লির প্রেসক্লাব ব্যবহার করতে পারবেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্যরা মালয়েশিয়াতে নিষেধাজ্ঞা মুক্ত হলো বাংলাদেশ ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের’ ভর্তি পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত

প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য বাংলাদেশের অনন্য রেজুলেশন

অনলাইন ডেস্ক / ৫২ Time View
Update : রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১

প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্বের শিকার বিশ্বের ১.১ বিলিয়ন মানুষকে ২০৩০ সালের মধ্যে চক্ষু স্বাস্থ্য সেবার সুযোগ করে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে প্রথমবারের মতো  জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো রেজুলেশন।  ‘ফ্রেন্ডস অব ভিশন এর পক্ষে রেজুলেশনটি সাধারণ পরিষদে উত্থাপন করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।  অধিবেশনে উপস্থিত সবাই রেজুলেশনটিকে অনন্য একটি রেজুলেশন হিসেবে আখ্যা দেন।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন স্থানীয় সময় শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, রেজুলেশনটি উত্থাপনের সময় বাংলাদেশের সাথে যোগ দেয় গ্রুপটির অপর দুই সহ-সভাপতি ‘এন্টিগুয়া ও বারবাডোস’ এবং আয়ারল্যান্ড। এতে সর্বমোট ১১৫টি দেশ সহপৃষ্ঠপোষকতা করে।

সাধারণ পরিষদে দেয়া বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা রেজুলেশনটিকে বিশ্বের সব দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য উৎসর্গ করেন। এসময় তিনি সব দেশগুলোকে ২০৩০ সালের মধ্যে  তাদের জনগণকে চক্ষু স্বাস্থ্য সেবায় পূর্ণ প্রবেশের সুযোগ করে দেয়ার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, “আজকের এই রেজুলেশনটি চক্ষু সেবার বৈশ্বিক প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক মুহুর্ত। রেজুলেশনটিতে নেতৃত্ব দিতে পেরে বাংলাদেশ সম্মানিত বোধ করছে।

তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের ১.১ বিলিয়ন মানুষ প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব নিয়ে বসবাস করছে। প্রতিরোধযোগ্য দৃষ্টিহীনতা একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ যার জন্য প্রয়োজন একটি বৈশ্বিক সমাধান-এর জন্যই আমরা আজ ঐক্যমতে পৌঁছুতে পেরেছি। আমাদের এই ঐক্যমত বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ, তাদের পরিবার ও সম্প্রদায়ের জীবন ধারায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে আমার বিশ্বাস”।

বৈশ্বিকভাবে পরিচালিত একটি জরিপের উদাহরণ টেনে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীতা এবং অন্ধত্বজনিত কারণে মানুষের উৎপাদনশীলতা হারানোর ক্ষতির হিসেব অনুযায়ী সারাবিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৪১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হচ্ছে যা একটি বিশাল বৈশ্বিক আর্থিক বোঝা। চক্ষু স্বাস্থ্য সেবার সুযোগ শুধু শিক্ষা থেকে শিশুদের ঝরে পড়ার হার ৪৪% হ্রাস করেনা বরং এটি বেতনভূক্ত চাকুরি পাবার সুযোগ ১০% বাড়িয়ে দেয়। অন্ধত্বের ক্ষেত্রে লিঙ্গসমতাও একটি ইস্যু, কারণ দেখা গেছে ৫৫% অন্ধ মানুষ মহিলা বা বালিকা; পুরুষদের তুলনায় তাদের অন্ধ হওয়ার সম্ভাবনাও ৮% বেশি।

স্থায়ী প্রতিনিধি আরও বলেন, “বলাই বাহুল্য বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ তাদের দৃষ্টিশক্তি হারাচ্ছে। এরফলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এসকল মানুষ তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা ব্যবহার করতে পারছেনা। রেজুলেশনটি এই অবস্থা পাল্টাতে ভূমিকা পারবে বলে আমার বিশ্বাস।’’

উল্লেখ্য ১৯৯৯ সালে গৃহীত ‘ভিশন-২০২০’ শীর্ষক বৈশ্বিক পদক্ষেপ স্বাক্ষরকারী দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category