• শুক্রবার, ০৬ অগাস্ট ২০২১, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সাংবাদিকদের জন্য সরকারের আন্তরিকতার কমতি নেই: বিএমএসএফ মৌলভীবাজারে নতুন শনাক্ত ৯১- শনাক্ত ৬ হাজার ছাড়িয়েছে  মাসের মধ্যে রামুতে ৩৭০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী আটক! দেবীদ্বারে ভ্র্যাম্যমান আদালত ও পুলিশের অভিযানে ৬ মামলায় ৭জন গ্রেফতার! সাভারে ফ্ল্যাটের লোভ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, নিঃস্ব শত শত পরিবার কেরাণীগঞ্জে মধ্যযুগীয় কায়দায় শিশু নির্যাতনের অপরাধে কারখানার মালিকসহ ৪ জনকে আটক করেছেন র‍্যাব কুমিল্লা টাওয়ার হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শিশুসহ প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ হোমনায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেন কনসেনট্রাটর উপহার দিলেন: সেলিমা আহমাদ এমপি কুমিল্লায় করোনায় শনাক্ত ৮০২,মৃত্যু আরও১৫জন ২য় ব্যাচ সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সময়সূচী

চীন ইসলামকেই মুছে ফেলতে চায় : অ্যামনেস্টির রিপোর্ট

অনলাইন ডেস্ক / ৩৫ Time View
Update : শনিবার, ১২ জুন, ২০২১

চীন ইসলামকে মুছে ফেলতে চাইছে বলে এক রিপোর্টে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটি চীনের উইঘুরদের নিয়ে নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) ‘আমরা যেন যুদ্ধের শত্রুপক্ষ’ শিরোনামের ১৬০ পাতার এই প্রতিবেদনে বল হয় উইঘুর মুসলিমদের ভয় দেখানোর জন্য চীন তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থানগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। অ্যামনেস্টিকে প্রচুর সাক্ষী জানিয়েছেন, চীন ইসলামকেই মুছে ফেলতে চায়।

২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে  এ বছরের  মে পর্যন্ত এ গবেষণা পরিচালনা করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। যেখানে ১২৮ জনের সাক্ষাৎকার রয়েছে। তার মধ্যে ৫৫ জন চীনের উইঘুর শিবিরে ছিলেন। আর ৬৮ জন সেই সব পরিবারের সদস্য, যাদের কেউ হারিয়ে গেছেন বা আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি।

শিনজিয়াং-এ ১০ লাখের বেশি মানুষকে শিবিরে পাঠানো হয়েছে। উইঘুর মুসলিমদের ভয় দেখানোর জন্য চীন তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থানগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। অ্যামনেস্টিকে প্রচুর সাক্ষী জানিয়েছেন, চীন ইসলামকেই মুছে ফেলতে চায়।

সাক্ষাৎকারে অনেকে বলেছেন, মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে। মসজিদে ও মুসলিমদের বাড়িতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ছবি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন তারা।

অ্যামনেস্টি প্রতিবেদনে আরও জানায়, কোনো রকম সতর্কতা ছাড়াই উইঘুরদের মাঝরাতে বাড়ি থেকে তুলে শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের চীনের তৈরি সেসব তথাকথিত শিক্ষা-শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং জোর করে নিজেদের অপরাধের কথা স্বীকার করানো হয়।। তারপর তাদের মধ্যে কিছু মানুষকে শিবিরে রাখা হয়, কারণ দেখানো হয়,তারা সন্ত্রাসবাদী সেই সঙ্গে তাদের বাইরে রাখলে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার অজুহাতে আটক রাখা হয়।

যাদের শিবিরে আটকে রাখা হয়েছিল, তাদের কয়েকজন মানবাধিকার সংস্থাটিকে জানান, ওই কথিত শিক্ষা শিবিরের অবস্থা চীনের কারাগারের থেকেও খারাপ। তাদের কথিত সংশোধন-ক্লাসে যেতে হয়। তার আগে সারা দিন তাদের বসিয়ে রাখা হয়। সেখানে চীনের তৈরি ইসলামের ‘খারাপ’ দিকগুলো নামের শিক্ষা বাধ্যতামূলকভাবে শিখতে হয়।

এ রিপোর্ট প্রসঙ্গে অ্যামনেস্টির সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাগনেস ক্যালামার্ড জানান, উইঘুরদের বিরুদ্ধে যাবতীয় অত্যাচার ও তাদের হেনস্তা করা বন্ধ করতে হবে।

জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল আন্তোনিও গুতেরেসকে তারা জানাবেন, চীন বেআইনি কাজ করেছে এবং তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category