• মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন




স্বামীকে অপহরণ মামলা পর লাশ উদ্ধার অতঃপর স্ত্রী উধাও পুলিশের অভিযানে উদ্ধার!!

/ ১৮৭ বার পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০১৯

মোঃমানিক(বি,পাড়াথানা থেকে):স্ত্রীর মিথ্যা গুমের মামলায় হয়রানীর স্বীকার হয়ে রাগে ক্ষোভে আত্মহত্যা করেছে স্বামী।পুলিশের তদন্তে মিথ্যা মামলা প্রমানিত হওয়ায় পর লুকিয়ে থাকা স্ত্রীকে বিশেষ অভিযানে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সদর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়,উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের নাল্লা গ্রামের মোরশেদ মিয়ার মেয়ে সিমা আক্তারের সাথে গত ৮ বছর পূর্বে ব্রাহ্মণপাড়া সদর গ্রামের শহীদ মিয়ার ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম(৩২) এর ইসলামী শরিয়া মোতাবেক বিয়ে হয়।দাম্পত্য জীবনে তাদের ৬ মাসের একটি ছেলে সন্তান মারা যায়।বিয়ের পর থেকে উভয়ের মধ্যে বিভিন্ন কারনে দাম্পত্য কলহ ছিল।গত মে মাসের ১৮ তারিখ থেকে সিমা আক্তারকে খুজে পাওয়া যাচ্ছিল না।এ নিয়ে সীমার পরিবার স্বামী সাইফুল ও তার পরিবারকে দায়ী করে আসছিল।
পরবর্তিতে ২৩ মে সিমার মা হেলেনা বেগম বাদী হয়ে কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে তার মেয়েকে গুম করে হত্যা করে লাশ লুকিয়ে রাখা হয়েছে এমন অভিযোগ এনে স্বামী সাইফুলসহ ৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে।মামলার গ্রেপ্তার এড়াতে সাইফুল ও অন্য আসামীরা পালিয়ে বেড়াত।এরপর উভয় পক্ষের কয়েক দফা শালিসী বৈঠক হয়।সর্বশেষ বৈঠকে সাইফুলকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছিল শালিস বোর্ড।

স্ত্রী উধাও,মামলার আসামী,পরিবারে অশান্তি, অর্থনৈতিক টানাপোরেন এবং ২ লক্ষ টাকা জরিমানা সব কিছু মিলিয়ে পাগল প্রায় সাইফুল রাগে ক্ষোভে ২৫ জুলাই তার ঘরে কাপড়ের বেল্টের সাথে সিলিংয়ের মধ্যে গলায় ফাস দিয়ে আত্ত্বহত্যা করে।

এব্যাপারে থানায় একটি অপমূত্যুর মামলা হয়েছে।থানা পুলিশ মামলাটির ব্যাপক তদন্ত শুরু করে বিশেষ অভিযান চালিয়ে অনেক গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত বুধবার ব্রাহ্মণপাড়া সদর এলাকা থেকে স্ত্রী সীমা আক্তারকে জীবিত ও সুস্থ্য শরীরে গ্রেপ্তার করে তাকে কুমিল্লা বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে হাজির করলে সেখানে সীমা ২২ ধারায় জবানবন্ধি দেয়।
বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম জানায়,মামলাটি মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে।সীমা জবানবন্ধিতে বলেছে সে স্বামীর অত্যাচারে বাড়ী থেকে পালিয়ে ঢাকায় আত্মগোপনে ছিল।তাকে হত্যা বা গুম করা হয়নি।বিজ্ঞ ম্যাজিষ্ট্রেট সীমা প্রাপ্ত বয়স্ক বিধায় আদালত তাকে নিজ জিম্মায় প্রদান করেন





আরো পড়ুন