আশুলিয়ায় অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করলেন কক্সবাজার থেকে এসআই রাম কৃষ্ণ দাস।

0
29

আলমাস হোসেনঃ রাজধানী ঢাকার অদূরে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার ভাদাইলের সাধুমার্কেট এলাকা থেকে অপহৃত সপ্তম শ্রেনীর শিক্ষার্থীকে কক্সবাজার থেকে উদ্ধার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। রবিবার বিকাল ৩টার দিকে আশুলিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাম কৃষ্ণ দাস অপহৃতকে জীবিত উদ্ধারসহ অপহরণকারীকে আটক করতে সক্ষম হন।
অপহৃতের পিতা ও মামলার বাদী বলেন, আমার নাবালিকা মেয়ে গাজীপুর জেলার কাশিমপুর থানাধীন গ্লোরিয়াস মডেল হাই স্কুলের ৭ম শ্রেনীর ছাত্রী। দীর্ঘদিন ধরেই বখাটে মারুফ আমার মেয়েকে উত্যক্তসহ রাস্তায় যাতায়াতকালে বিরক্ত করে আসছিলো। এসব ঘটনায় বারবার তার অভিভাবককে অবহিত করলেও কোন প্রতিকার পাইনি।

গত ৩১ জুলাই বিকাল ৫টার দিকে মারুফ ও তার সহযোগী রাশেদ সাদা রংয়ের একটি প্রাইভেট কারে আমার মেয়েকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তুলে নিয়ে যায়। এঘটনার পর আমি আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ মুঠোফোনের কল লিস্টের তালিকা ধরে কক্সবাজার সী নাইট নামের একটি রিসোর্ট থেকে রবিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাম কৃষ্ণ দাস জানান, গত ৩১ জুলাই বিকাল ৫ ঘটিকার সময় ভাদাইল এলাকার জহিরুল ইসলামের মেয়ে সপ্তম শ্রেনীর শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে একই জেলার ধামরাই থানার বাথুলী গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে মারুফ (১৮)। অপহৃতের পিতা বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় ২০০০ সালের (সংশোধনী-০৩) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগ দায়ের করলে আমরা মুঠোফোনের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অপহৃত ও অপহরণকারীর অবস্থান সনাক্তের পর অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেই।

আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশ ও দিক নির্দেশনায় কক্সবাজারের সী নাইট রিসোর্টে অভিযান চালিয়ে রবিবার বিকেল ৩টার দিকে অপহৃতকে জীবিত উদ্ধার করি। পাশাপাশি অপহরনকারী মারুফকেও সেখান থেকে গ্রেফতার করি। সোমবার ঢাকার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ২২ ধারায় অপহৃতার মৌখিক জবানবন্ধীর জন্য প্রেরন করা হয়েছে। উক্ত মামলায় অপহরনকারীকেও গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে বলেও জানান এসআই রাম কৃষ্ণ দাস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here