চুয়াডাঙ্গার দর্শনা বাজারে চাউলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আগুন

0
5

চুয়াডাঙ্গা থেকে আব্দুর রহমানের পাঠানো তথ্যচিত্র::- বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের মানুষও যখন করোনা আতঙ্কে রয়েছে, ঠিক সংকটকালীন সেই মুহুর্তে মহামারী করোনা ভাইরাসকে ইস্যু বানিয়ে দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় চালের বাজার অস্থিতিশীল করে তুলেছে কিছু মুনাফা লোভী অসাধূ ব্যবসায়ীরা। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে দর্শনা রেল বাজারসহ দর্শনার প্রত্যেক বাজারে প্রকারভেদে বস্তাপ্রতি চালের দাম বাড়ানো হয়েছে এক’শ থেকে চার’শ টাকা পর্যন্ত। আর কেজি প্রতি চালের দাম বাড়ানো হয়েছে ৪ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত। তবে সবজী ও মাছ মাংশের দাম আগের মতো থাকলেও দাম বেড়েছে চাল,ডাল, ডিম, পিয়াজ, রসুনসহ প্রজনীয় পণ্যের ।

এতে করে একদিকে করোনা আতঙ্ক, অন্যদিকে চালের লাগামহীন দাম বৃদ্ধিতে তীব্র বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েছেন উপজেলার সকল শ্রেনী পেশার মানুষ। প্রতিনিয়ত চালের উৎপাদন ও সরবরাহ থাকলেও, শত শত বস্তা চাল গোডাউনে মজুদ করে সিন্ডিকেট তৈরি করছে কয়েকজন চাল ব্যবসায়ী, আড়ৎদার ও মিল মালিকরা। তাদের যোগসাজোসে চালের বাজার অস্থিতিশীল করে তুলেছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাসহ সাধারণ মানুষের। তারা বলেন মুর্হুতের মধ্যেই দাম রেড়ে গেছে। এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছে দাম বিশি দিয়ে কিনে আনায় আমাদের বেশি দিয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে।

আজ সকাল ১০ টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, ১৫শ’ টাকা দামের চালের বস্তা এখন বিক্রি হচ্ছে ১৯শ’ টাকায়। আবা খুচরা বাজারে কেজি প্রতি ৬ থেকে ১০ টাকা বৃদ্ধি। ১৯শ’ টাকার চালের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২৭ শ’ টাকায়। পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। দেশী মুরগীর মাংশ ৩৭০ থেকে ৪৮০, প্রতিটি ডিম ১০ থেকে ১২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এসব বাজারে।

নিত্যপ্রয়জনীয় পণ্যের এমন অস্থিতিশীল দামে বিপাকে পড়েছে দামুড়হুদা উপজেলার সর্বসাধারণ। এ বিষয়য়ে উপজেলা প্রশাসন ও চুয়াডাঙ্গা জেলা ভোক্তা অধিকার সহ সকল উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বাজার নজরদারি করে বাজার নিয়ন্ত্রন করার জন্য সু-দৃষ্টি কামনা করছে এলাকার সচেতন মহল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here